আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সীমান্ত নিয়ে চিনের সঙ্গে ভারতের দ্বন্দ্ব নতুন নয়। ভুটান-ভারত-চিন সীমান্তে ডোকলাম মালভূমি। অভিযোগ, ভুটানের অংশে ঢুকে চিন রাস্তা তৈরি করছে। কাজ বন্ধ করার জন্য ভারত কড়া হুঁশিয়ারি দিতেই চিন পাল্টা দাবি করেছে, ভারতীয় সেনা তাদের এলাকায় অনধিকার প্রবেশ করেছে। তারা না সরলে ভারতের সঙ্গে কোনও আলোচনা হবে না। নিজেদের দাবির সত্যতা প্রমাণে শুক্রবার চিনের বিদেশ দফতর একটি মানচিত্র প্রকাশ করে। যেখানে ডোকলাম মালভূমি সংলগ্ন অঞ্চলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার সীমানা বাস্তবের চেয়ে আলাদা। চিনের মানচিত্রে দক্ষিণ দিকে অনেকটা অংশ নিজেদের বলে দেখানো হয়েছে। বেজিং গিমপোচি পাহাড় পর্যন্ত এলাকা বলে দাবি করেছে। অন্যদিকে, ভারত বাতাং লা পর্যন্ত নিজেদের বলে জানিয়েছে। তাদের সঙ্গে সহমত ভুটানও।
শুক্রবার ভারত স্বীকার করেছে, এ বিষয়ে তারা ভুটান সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছে। এমনকী, স্থিতাবস্থা বজায় রাখার স্বার্থে সেখানে রাস্তা তৈরির কাজ বন্ধ রাখতেও বলেছে চিনকে। বিদেশ মন্ত্রক বলেছে, ডোকা লা অঞ্চলে রাস্তা তৈরির চেষ্টা স্থিতাবস্থা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক। ভারতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। কাজ বন্ধ না করলে পরিণতি খারাপ হবে বলেও ভারত হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ভারতের দাবি, ২০১২-য় সংশ্লিষ্ট সমস্ত পক্ষের সঙ্গে কথা বলে ওই অঞ্চলের সীমানা চূড়ান্ত করতে চিনের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছিল। তিন দেশের সংযোগস্থলে কোনও এক পক্ষ িসদ্ধান্ত নিতে পারে না। যদিও চিন বলেছে, প্রাচীন কাল থেকেই ডোকা লা তাদের অংশ। তাদের আরও দাবি, ১৮৯০ সালে সিকিম-তিব্বত নিয়ে ব্রিটেনের সঙ্গে তাদের চুক্তিতেও নাকি সে কথা রয়েছে।