নীলফামারী প্রতিনিধি : কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিপাত ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি আবারো নীলফামারীর ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
রবিবার (২ জুলাই) দুপুরে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজে ৫২ দশমিক ৪৮ সেন্টিমিটার পানি প্রবাহ রেকর্ড কর হয়। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৮ সেন্টিমিটার উপরে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তা নদী ঘেঁষা কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে প্রায় ৫ হাজার পরিবার। পরিস্থিতি মোকাবেলায় তিস্তার ৪৪টি গেট খুলে রাখা হয়েছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, ভারত গজলডোবা ব্যারাজের অধিকাংশ গেট খুলে দেওয়ায় শুক্রবার রাতে তিস্তার পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। শনিবার যা বিপদসীমার ১১ সেন্টিমিটার অতিক্রম করে। আবার রাতেই পানি কমে বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার নিচে নেমে আসে।
তবে রবিবার বেলা ১১টার পর থেকে পানি বাড়তে থাকে। পানির গতি নিয়ন্ত্রনে তিস্তার সব জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। এদিকে তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার বেশকটি ইউনিয়নের চর ও গ্রাম প্লাবিত হয়ে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে প্রায় ৫ শতাধিক পরিবার।
তিস্তা ব্যারাজের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমা অতিক্রম করলেও শনিবার বিকাল থেকে পানি কমতে শুরু করে। আবার রবিবার সকাল থেকে ২য় দফায় বৃদ্ধি পেয়েছে পানি প্রবাহ। তিস্তায় ভারত থেকে প্রচন্ড গতিতে পানি প্রবেশ করায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।