• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

খানসামা থানার ওসি আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি: দিনাজপুরের খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মতিন প্রধান এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. দুলালের বিরুদ্ধে ঘুষ নিয়ে অনিয়ম ও দূর্নীতির মাধ্যমে এসিড নিক্ষেপ মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহের অপচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে আজ সোমবার সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন খানসামা উপজেলার গোয়ালডিহি গ্রামের এসিড সারভাইভার মোঃ জমির উদ্দীন।
দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসিড দগ্ধ মোঃ জমির উদ্দিন লিখিত বক্তব্যে বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ৫ এপ্রিল ২০১৭ তারিখে রাত সাড়ে ১১টায় সন্ত্রাসী আতিকুর রহমান,রশিদুল ইসলাম ও জুয়েল রানাসহ আরো ৪/৫জন আসামী সংঘবদ্ধ হয়ে গোয়ালডিহি গ্রামের ধনেশ্বরপাড়ার ডারার পারে এসিড হামলার মাধ্যমে আমাকে হত্যার চেষ্টা চালায়। সন্ত্রাসীদের নিক্ষিপ্ত এসিডে দগ্ধ হয়ে আমি যখন চিৎকার করছিলাম তখন আশপাশের লোকজন আমাকে উদ্ধার করে স্থানীয় পাকেরহাট হাসপাতালে পাঠায়।
পাকেরহাট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমার অবস্থা খারাপ দেখে তারা দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রের্ফাড করে দেয় পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্যে তারাও আমাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ এন্ড প্লাস্টিক সার্জারী বিভাগে রের্ফাড করে দিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে অসুস্থ্য অবস্থাতেই গত মাসে আমি নিজ বাড়িতে ফিরেছি।
তিনি জানান, এর মধ্যে আমার উপরে হামলার দায়ে উল্লেখিত নামসহ আরো অন্যান্যদের বিরুদ্ধে এসিড অপরাধ দমন আইন ২০০২ এর ৫(খ)/৭ ধারায় খানসামা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং ০২ জি আর নং ১৯ তারিখ ১৬/০৪/১৭। মামলাটি তদন্ত করেন এসআই দুলাল তবে মামলা করার আড়াইমাস অতিক্রম হলেও এখন পর্যন্ত খানসামা থানা পুলিশ আসামীদের কাউকেই গ্রেফতার করেননি। মামলায় সংশ্লীষ্ট উক্ত দায়িত্বশীল দুই কর্মকর্তাসহ স্থানীয় পুলিশের ভ’মিকায় আমরা সন্দিহান যে তারা আসামীদের নিকট বিপুল পরিমান ঘুষ খেয়ে মামলাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, একজন এসিড আক্রান্ত মানুষ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আমার একটাই দাবী দূর্নীতি পরায়ন ওসি আব্দুল মতিন,মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ দুলালের কর্মকান্ড তদন্ত সাপেক্ষে সুষ্ঠ বিচার করুন এবং আমার মামলার আসামীদের গ্রেফতার করে দেশের প্রচলিত আইনের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমুলক কঠোর শাস্তির জন্যে পদক্ষেপ গ্রহনের নির্দেশ দিন । সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবী কওে বলেন আমাকে ন্যায় বিচার প্রাপ্তি সহায়তা করুন,কেননা আসামী পক্ষের লোকেরা অর্থশালী হওয়ায় স্থানীয় মানুষ তাদেরকে কেউ কিছু বলার সাহস পাচ্ছে না, আর পুলিশকে তারা টাকা দিয়ে কিনে ফেলেছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ আব্দুস সালাম, মোঃ সেলিম হোসাইন সাইদী, মোঃ হারুন অর রশিদ, মোঃ আব্দুল হামিদ ও মোঃ ইসলাম প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যটি জমির উদ্দিনের পক্ষে পাঠ করেন তার জামাতা মোঃ সেলিম হোসাইন সাইদী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ