• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বেরোবিতে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে লক্ষ টাকার ঔষুধ নষ্ট

রংপুর : বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের জন্য আনা ঔষুধ সময়মত বিতরণ না করে দীর্ঘদিন উপাচার্যের বাসভবনে পড়ে থাকায় অবহেলার কারণে কয়েক লক্ষ টাকার ঔষুধ মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।
বিষয়টি সময় বাড়ার সাথে সাথে ক্যাম্পাসে রটে যাওয়ায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। মেডিকেল সেন্টারের দায়িত্বরত সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বললে বেশকিছু স্যালাইন নষ্ট হয়েছে বলে জানালেও সেগুলোর পরিমাণ ও মূল্য সম্পর্কে মুখ খুলছেন না দায়িত্বরতরা।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সাবেক উপাচার্যের সময় আনা এসব ঔষুধ সময়মত শিক্ষার্থীদের নিকট বিতরণ না করায় এমনটি ঘটেছে। অনেকে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. একে এম নূর-উন-নবীসহ সংশ্লিষ্টদের অবহেলার কারণে এমনটি ঘটেছে বলে অভিযোগ করছে।
তবে মেডিকেল সেন্টারের দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও মেডিকেল অফিসার ডা: সুলতানা তারাননুম নিজামী বলেন, যেসব ঔষুধ নষ্ট হওয়ার কথা বলা হচ্ছে আসলে সেগুলো ২০১২ কিংবা ২০১৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় উপাচার্য আব্দুল জলিল মিয়ার আমলের সময় কেনা। সদ্য বিদায়ী উপাচার্যের সময়ে নয়।
কতগুলো ঔষুধ এবং আর্থিক মূল্যে কত হতে পারে প্রশ্নের করলে গত নভেম্বর মাসে জয়েন্ট করায় মেয়াদোউত্তীর্ণ ঔষুধের পরিমাণ ও আর্থিক মূল্যে সম্পর্কে তার কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই বলে জানান। এক পর্যায়ে বলেন, ঔষুধের কথা বলা হলেও আসলে ৫০ টির মতো স্যালাইন মেয়াদোউত্তীর্ণ হয়েছে মাত্র।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মেডিকেল সেন্টারের আরেক কর্মকর্তা বলেন, সময়মত বিতরণ না করায় বেশকিছু স্যালাইন নষ্ট হয়েছে। এগুলো সদ্য বিদায়ী উপাচার্যের সময় বিনামূল্যে আনা হয়েছিলো। এর বেশি বলা বলতে পারব না।
সংশ্লিষ্টদের সাথে একাধিকবার যোগযোগ করেও এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য না মিললেও একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে বেশকিছু মেয়াদোউত্তীর্ণ ঔষুধ গতকাল বুধবার নাগাদ মেডিকেল সেন্টারের পাশেই মাটিতে গর্ত করে চাপা দেয়া হয়েছে।
এমনকি মেডিকেল সেন্টারের দায়িত্বরত কর্মকর্তা ঔষুধগুলো ২০১২-১৩ সালের বললেও সেগুলো ২০১৫ সালের দিকে কেনা বলে জানা গেছে।  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দাবি এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন থেকে তদন্ত করলে সুনির্দিষ্ট তথ্য, ঔষুধের পরিমাণ এবং ্এর আর্থিক মূল্য সম্পর্কে জানা যেতে পারে।
এ বিষয়ে বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ-এর সাথে যোগাযোগ করলে বলেন, এগুলো বিগত প্রশাসনের আমলে কেনা। আমি এসে দেখি মেয়াদোউত্তীর্ণ ঔষুধ উপাচার্যের বাসভবনে তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছে। পরে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এবং ঔষুধগুলো সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দিয়েছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ