• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

রোডম্যাপ চূড়ান্ত, দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক ৩১ জুলাই

ঢাকা : আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রোডম্যাপ চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ৩১ জুলাই থেকে দেশের সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ করবে ইসি।
আজ রবিবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে ইসি সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ তার নিজ কক্ষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে এই রোডম্যাপটি চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী নির্বাচনে ভোটগ্রহণে ইলেক্ট্রনিক মেশিন বা ইভিএম ব্যবহার হচ্ছে না বলেও জানান তিনি।
এসময় মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, ‘আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রোডম্যাপ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তিন মাসব্যাপী সংলাপ করা হবে।’
তিনি জানান, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রোডম্যাপ চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে সাতটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ১৬ জুলাই এটি বই আকারে প্রকাশ করা হবে।
নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপে সাতটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এগুলো হলো-১. সব রাজনৈতিক দলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করার লক্ষ্যে আইনি কাঠামো পর্যালোচনা ও সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ। এই কার্যক্রম আগামী জুলাই থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে। ২. নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সহজীকরণ ও যুগোপযোগী করার কার্যক্রমও জুলাই থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে। ৩.  নির্বাচনী এলাকা নির্ধারণ। চলতি বছরের আগস্টে এই কার্যক্রম শুরু হয়ে আগামী ২০১৮ সালের এপ্রিলে শেষ হবে। ৪. ভোটার তালিকা হালনাগাদকরণ। আগামী সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৮ সালের জুনের মধ্যে। ৫. ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হবে ২০১৮ সালের জুন থেকে ভোটগ্রহণের পূর্বে বা তফসিল ঘোষণার পর। ৬. নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ও নতুন রাজনৈতিক দলসমূহকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে কার্যক্রম গ্রহণ, আগামী অক্টোবর থেকে ২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত। ৭. সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ‘ক্যাপাসিটি বিল্ডিংয়ে’র ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে আগামী বছরের জুলাই থেকে সময়সূচি ঘোষণার পূর্বে এমনকি ভোটগ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত।
সংলাপের বিষয়ে সচিব বলেন, ৩০ জুলাই সংলাপ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা পরিবর্তন করা হয়েছে। সুশীল সমাজের সঙ্গে ইসির বৈঠকটি ৩১ জুলাই বিকেল ৩টা থেকে শুরু হবে। এছাড়া গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করা হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কবে থেকে সংলাপ শুরু করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্দিষ্ট কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপ করা হবে।
সীমানা পুনঃনির্ধারণ ও আইন সংস্কারে দুজন পরামর্শক নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও জানান ইসি সচিব।
সংবিধান অনুযায়ী সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে যেকোনো দিন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। এ হিসেবে ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর থেকে ২০১৯ এর ২৮ জানুয়ারির মধ্যে দেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা বেশি বলে সূত্রে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ