• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে বন্যায় সাড়ে ৩৩ হাজার গবাদি পশুর ক্ষতি

সিসি ডেস্ক: সাম্প্রতিক তিস্তার বন্যায় নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ১০ ইউনিয়নে ৩৩ হাজার ৪৮৭ গবাদী পশু ও পাখি আক্রান্ত এবং গবাদি পশুর ২২ একর চারণ ভূমি প্লাবিত হয়ে বিনষ্ট হয়েছে। একই সাথে গবাদি পশুপাখির সাড়ে ২৩ মেট্রিকটন খাদ্য বিনষ্ট হয়েছে।

এসব ইউনিয়নে কোন গবাদি পশু-পাখির মৃত্যু না হলেও চিকিৎসা ও টিকা প্রদান করা হয়েছে চার হাজার ৮৪৮ গবাদি পশু-পাখিকে।

নীলফামারী জেলা ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তার দপ্তরে দাখিলকৃত জেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের প্রতিবেদন সূত্র জানা যায়, সাম্প্রতিক তিস্তার বন্যায় জেলার ডিমলা উপজেলার ছয়টি এবং জলঢাকা উপজেলার চারটিসহ মোট ১০ ইউনিয়নে ৩৩ হাজার ৪৮৭ গবাদি পশু-পাখি আক্রান্ত হয়। এসময় কোন গবাদি পশু-পাখির মৃত্যু না হলেও অসুস্থ হয়ে পড়া চার হাজার ৮৪৮ গবাদি পশু-পাখিকে চিকিৎসাসহ টিকা প্রদান করা হয়েছে। ওই বন্যায় দুই উপজেলায় ২২ একর গবাদি পশুর চারণ ভূমি প্লাবিত হয়ে বিনষ্ট হয়। ঢলের পানিতে বিনষ্ট হয়েছে এক লাখ ৯২ হাজার ৫০০ টাকা সমমূল্যের সাড়ে পাঁচ মেট্রিকটন দানাদার খাদ্য। পাশাপাশি নষ্ট হয়েছে ৫৪ হাজার টাকা মূল্যের গরুর খাদ্য হিসেব ব্যব‎হৃত ধানের খড়। সর্বমোট টাকার অঙ্কে খাদ্যে ওই ক্ষতির পরিমান দুই লাখ ৪৬ হাজার ৫০০। ওই বন্যায় মৎস সম্পদের কোন ক্ষতি হয়নি বলে জানান হয় প্রতিবেদনে।

জেলা ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তা এ.টি.এম আখতারুজ্জামান ক্ষতির হিসেবের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘জেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ বন্যায় গবাদি পশু-পাখির ক্ষতির ওই প্রতিবেদন তৈরী করে আমার দপ্তরে দাখিল করে। দাখিলকৃত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।’

দ্যা রিপোর্ট


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ