দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরে ইউপি চেয়ারম্যানদের নিয়ে সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) অধিপরামর্শ ষভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ইউনিয়ন পরিষদে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা বৃদ্ধি ও জনবান্ধব সেবা নিশ্চিতে করণীয় বিষয়ে করা হয়।
সোমবার (৭ আগষ্ট) দিনাজপুর সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত অদিপরামর্শ সভায় সভাপতিত্ব করেন সনাক সভাপতি মোঃ সফিকুল হক ছুট। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সনাক জেন্ডার উপ-কমিটি’র আহ্বায়ক অধ্যক্ষ হাজেরা হাসান।
সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি বৃদ্ধি ও জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে করণীয় বিষয়ে টিআইবি’র অবস্থান তুলে ধরেন প্রোগাম ম্যানেজার মোহাম্মদ আব্দুর রহমান। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হিসেবে বাজেট প্রণয়ন, প্রকল্প বাস্তবায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, বিচার-সালিশ,ত্রাণ বন্টন, সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ (সমন্বয় সভা, স্থায়ী কমিটির সভা) ইত্যাদি বিষয়ে সদস্যদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।
উন্মুক্ত আলোচনায় চেয়ারম্যানদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ৪নং শেখপুরা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ বাবুল আখতার, ১নং চেহেলগাজী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আনিছুর রহমান বাদশা। সভায় সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বচ্ছ, জবাবদিহি ও দুর্নীতির উঠে জনসেবা করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি দিনাজপুর সদরে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অধিপরামর্শ সভার মাধ্যমে সনাক দিনাজপুরের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের একটি সেতুবন্ধন তৈরী হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
দিনাজপুর চামড়া ব্যবসায়ী মালিক গ্রুপের বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত
দিনাজপুর চামড়া ব্যবসায়ী মালিক গ্রুপের ২৪তম বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৭ আগষ্ট) সকালে দিনাজপুর চামড়া ব্যবসায়ী মালিক গ্রুপ কার্যালয়ে সংগঠনের সভাপতি মো. তৈয়ব উদ্দীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারন সভায় সংগঠনের সাধারন সম্পাদক আখতার আজিজ বাষিক প্রতিবেন এবং কোষাধ্যক্ষ মো. মহসীন আলী সাধারন সদস্যদের মাঝে বার্র্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপন করেন।
সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে তৈয়ব উদ্দীন চৌধুরী বলেন, শত প্রতিকুলতার মাঝেও আমরা চামড়া শিল্পকে বাঁচাতে এ ব্যবসাকে ধরে রেখেছি আগামীতে চেষ্টা অব্যাহত রাখবো। চামড়া ব্যবসার এমন এক ক্রান্তিকালে দেশ জাতি এবং নিজের স্বার্থ রক্ষা করেই ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার আহবান করেন তিনি।
সভায় সাধারন সম্পাদক আখতার আজিজ বলেন, ২০১৬ থেকে সৃষ্ট ট্যানারী স্থানান্তর নিয়ে জটিলতার অবসান হয়েছে, তবে ট্যানারীগুলো পুরোপুরি চালু হতে আরো সময় লাগবে। ইতিমধ্যে যে কয়টি ট্যানারী পুনাঙ্গ চালু হয়েছে তারা চামড়া মালিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধে নানা সমস্যার কথা বলছে।
তিনি বলেন, প্রত্যেক কোরবানীর ঈদের আগে এবং পরে চামড়া ব্যবসায়ীরা বকেয়া পাওনা টাকার ব্যাপারে ট্যানারী মালিক ও আড়ৎদারদের সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এক রকম বিপদেই পড়ে যায়। লক্ষ করা গেছে, ট্যানারী মালিকদের কাছে একবার যদি চামড়ার দাম বাকি পড়ে তাহলে পরের বছর ওই টাকা উঠানো অসম্ভব হয়ে পড়ছে। এভাবেই একসময়ে চামড়া ব্যবসায়ী মালিকদের বকেয়া পাওনা টাকা তামাদি হয়ে যায় এবং ঝড়ে পড়ে ব্যসায়ীরা। আমাদের সতর্কতার সাথে ব্যবসা চালাতে হবে।
বার্ষিক সাধারন সভায় সাধারন সম্পাদকের রির্পোট এবং কোষাধ্যক্ষের আয়-ব্যয়ের রির্পোট সদস্যদের কণ্ঠ ভোটে পাশ হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি হাজী আবেদ আলী, মোঃ মজিবর রহমান (১), সহ-সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আলীসহ কোষাধ্যক্ষ মো. আউয়াল হোসেন মিল্টন, সাধারন সদস্য জুলফিকার আলী স্বপন প্রমুখ।