• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

দিনাজপুরে বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী পালিত

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ আগষ্ট) দিনাজপুর মহারাজা স্কুল মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর মেলা দিনাজপুর শাখার উদ্যোগে এক শিশু সমাবেশ, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছ বিতরণ করা হয়েছে।
মহারাজা স্কুল পরিচালক পর্ষদের সভাপতি শফিকুল ইসলাম বাবলু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ফরিদুল ইসলাম। প্রধান আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন নাগরিক উদ্যোগ দিনাজপুরের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র মনিরুজ্জামান জুয়েল, কেবিএম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক সাঈফুদ্দীন আখতার। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর মেলা দিনাজপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম লিটন, তথ্য সম্পাদক মো. এনামুল হক প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মহারাজা গিরিজানাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুদ আলম।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান “জাতির জনক-বঙ্গবন্ধু” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারতেন না। তাঁর ত্যাগের বিনিময়ে বঙ্গবন্ধু জনতার নেতা আমাদের আদর্শ হিসেবে জাতির দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। বাঙ্গালীর মুক্তির জন্য জীবন বাজি রেখে কাজ করে গেছেন। তাই আমাদের স্বাধীনতা, স্বাধীন মানচিত্র ও লাল-সবুজের পতাকা অর্জনে ফজিলাতুন্নেছা মুজিব একজন মহিয়সী নারী। তিনি দেখিয়ে গেছেন সন্তানদের কিভাবে আগলে রেখে স্বামীকে দেশ-মাতৃকার জন্য উৎসর্গ করা যায়। তাই আমাদেরকে তার ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে নিজেদের সাজাতে হবে। আজকের শিশু-কিশোরদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শে নিজেদের জীবন গড়তে হবে এবং ভালো মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে।
আলোচনা শেষে উপস্থিত শিশু-কিশোরদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ বিতরণ করা হয়। সব শেষে বঙ্গমাতাসহ ১৫ আগষ্টের নারকীয় হামলায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ