সিসি নিউজ: না ফেরার দেশে নীলফামারী জেলার প্রবীণ সাংবাদিক মোজাহিদ বিন খয়রাত। শনিবার সন্ধ্যায় নিজ বাসভবনে মারা যান তিনি (ইন্না লিল্লাহে …রাজেউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ভাই, ৫ বোন ছাড়াও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
পারিবারিক সূত্র মতে, দীর্ঘদিন থেকে তিনি জটিল রোগে ভুগছিলেন। সম্প্রতি চিকিৎসা নিয়ে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। বাড়িতেই চিকিৎসা চলছিলো তার।
আজ রবিবার (২০ আগষ্ট) সকাল দশটায় নীলফামারী ডাকবাংলা ঈদগা মাঠে নামাজে শেষ তার কফিন নেয়া হবে নীলফামারী প্রেস ক্লাব চত্বরে। সেখান হতে মরদেহ জেলা সদরের সোনারায় ইউনিয়নের বেড়াকুঠি গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে। বাদজোহর গ্রামে দ্বিতীয় দফা নামাজে জানাজা শেষে সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
১৯৫৬ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রী প্রয়াত খয়রাত হোসেনের দ্বিতীয় পুত্র ছিলেন মোজাহিদ বিন খয়রাত। প্রবীণ এই সাংবাদিকের মৃত্যুতে শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন নীলফামারী সদর আসনের সংসদ সদস্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর, নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার, নীলফামারী-৩ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফা, নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য শওকত চৌধুরী, নীলফামারী পৌরসভার মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র অধ্যক্ষ মো: আমজাদ হোসেন সরকার, নীলসাগর গ্রুপ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আহসান হাবিব লেলিন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল হক, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুজার রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আরিফা সুলতানা লাভলী, সাংবাদিক তাহমিন হক ববী, মীর মাহামুদুল হাসান আস্তাক, ভূবন রায় নিখিল, মিল্লাদুর রহমান মামুন, র্শীষ রহমান, জসিম উদ্দিন, বিজয় চক্রবর্তী কাজল, আব্দুল বারী, নুর আলমসহ প্রমুখ।
উল্লেখ যে, মোজাহিদ বিন খয়রাত দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার জীবনে প্রথম সাংবাদিকতা শুরু করেন দৈনিক দেশ পত্রিকা দিয়ে। এছাড়াও তিনি দৈনিক বাংলা বাজারসহ বিভিন্ন পত্রিকায় কাজ করেছিলেন। তিনি ছিলেন নীলফামারী প্রেসক্লাবের উপদেষ্টাও।