• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

দরিদ্র মুড়ি বিক্রেতার দুয়ারে সৈয়দপুরের ইউএনও

সিসি নিউজ: ‘সমাজের যারা পরিশ্রম করে বেঁচে থাকে আমরা তাদের সাধুবাদ জানাই এবং চেষ্টা করি তাদের পরিশ্রমকে সার্থক করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার হাত বাড়াতে। শুধু সরকার নয়, সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা উচিৎ’- দরিদ্র মুড়ি বিক্রেতা আশিদার উঠানে দাঁড়িয়ে এ কথাগুলো বললেন নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বজলুর রশীদ।

তিনি আজ শুক্রবার সকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহমেদ মাহবুব-উল-আলম ও সাংবাদিক আলমগীর হোসেনকে সাথে নিয়ে উপজেলার প্রত্যন্ত খাতামধুপুর ইউনিয়নের খালিশা গ্রামের বিধবা আশিদার উঠানে যান। এ সময় তিনি আশিদার ব্যবসার উন্নতির জন্য মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর থেকে সহজ শর্তে ১৫ হাজার টাকা ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করে দেন।

উল্লেখ্য যে, তিন সন্তানের মা আশিদার স্বামী মতিয়ার রহমান প্রায় কুড়ি বছর আগে মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি কোনো সহায় সম্বল রেখে যাননি। এ অবস্থায় চোখে অন্ধকার দেখতে থাকেন সদ্য বিধবা আশিদা। এক মেয়ে দুই ছেলে নিয়ে পড়েন বিপাকে। নেই কোনো তার পুঁজি। কিন্তু মুড়ি ভাজতে জানতো আশিদা। একদিন পাশের বাড়ির গৃহিণী তাকে দিয়ে দুই কেজি চালের মুড়ি তৈরি করে নেন। এজন্য কিছু পারিশ্রমিক দেয়া হয় তাকে। এতে উৎসাহিত হয়ে ওইদিনই কয়েকটি দোকানে ঘুরে তিনি চাল সংগ্রহ করেন, আর বসে পড়েন মুড়ি ভাজতে। এরপর আর পেছন ফেরে তাকাতে হয়নি তাকে। প্রতিদিন দশ থেকে কুড়ি কেজি মুড়ি ভাজার অর্ডার পান তিনি। এভাবে দিনে দিনে মুড়ির চাহিদা বাড়ে তার।
আশিদা মুড়ি বিক্রির টাকায় ছেলে-মেয়েদের কিছু লেখাপড়াও শিখিয়েছেন। বড় মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন পাশের উপজেলার তারাগঞ্জে। ছেলে দুটোও দক্ষ রাজমিস্ত্রী। কিন্তু পুঁজির অভাবে তার ওই ব্যবসাও বন্ধের পথে। ঠিক এ সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বজলুর রশীদ।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ