• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

আক্কেলপুরে কোরবানীর পশুর হাট পশু আছে ক্রেতা নেই !

আতিউর রাব্বী তিয়াস, আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) : আসন্ন পবিত্র ঈদুল-আযহাকে সামনে রেখে জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে,উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে তত বেশি কোরবানির পশু আমদানি হচ্ছে। যে অনুপাতে পশু আমদানী করা হচ্ছে সে অনুপাতে পশু বিক্রি হচ্ছে না। পশু ব্যবসায়ী ও খামারীরা চরম হতাশায় রয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে,উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের প্রতিটি হাটেই প্রচুর গরু-ছাগল উঠছে। স্থানীয় গৃহস্থদের পাশা-পাশি কোরবানির পশু ব্যবসায়ীরাও হাট-বাজারে গরু-ছাগল আমদানি করছে। তবে এবার হাট-বাজারে বিদেশি গরুর চেয়ে দেশি গরুর আমদানি বেশি হচ্ছে। এছাড়া,হাট-বাজারগুলোতে দেশি জাতের গরুর কতর বেশি। তবে এবার হাট-বাজারে বিগত বছরের মতো ক্রেতার দেখা মিলছে না।
অধিকাংশ হাট-বাজারে ক্রেতার চেয়ে কোরবানির পশুর আমদানি বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে কৃষকরা এ বছর বন্যার কারণে এবং পাট চাষ করে লোকসান খাওয়ায় কোরবানির পশু কিনতে পারছে না, সে কারণে এ বছর হাট-বাজারে ক্রেতার সংখ্যা কম। একই কারণে হাট-বাজারে তেমন একটা কোরবানির পশু কেনা-বেচা হচ্ছে না। তাছাড়া এখনো সময় হাতে থাকায় ক্রেতারা পশু না কিনে হাট-বাজারে ঘুরে বাজার যাচাই করায় কেনা-বেচা কম হচ্ছে।
আক্কেলপুর পৌর সদরের কলেজ হাটে কোরবানির পশু কিনতে আসা ক্রেতা মিলন হোসেন বলেন, ‘এ বছর কোরবানির পশুর বাজার দর একটু কম। গত বছর যেসব গরু ৭০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে, এ বছর একই ধরনের গরু ৫৫ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকায় কেনা যাচ্ছে। ছাগল-মহিষের দামও হাতের নাগালে, তবে বাজার মন্দা হওয়ায় স্থানীয় গরু বিক্রেতা ও বেপারিরা হতাশ।’
আজ রবিবার দুপুরে সরেজমিনে তিলকপুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, হরেক রকমের দেশি গরুতে বাজার ভরে উঠেছে। কোরাবানি দেওয়া হবে এমন প্রতিটি গরু ৫০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকার মধ্যেই কেনাবেচা হচ্ছে। তবে লাগাতার বন্যার কারণে গরুর দাম প্রত্যাশা অনুযায়ী পাচ্ছেন না বলে জানান বিক্রেতারা।
আক্কেলপুর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা.আব্দুল হাকিম জানান, কোরবানীর পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সচেতনতার জন্য প্রাণী সম্পদ বিভাগ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। কোরবানির পশুর হাটগুলোতে ভেটেরিনারি সার্জনের নেতৃত্বে ৩ সদস্যবিশিষ্ট মেডিক্যাল টিম কাজ করছে। অসুস্থ পশু যাতে বাজারে না আসে, সে জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ