• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

পদ্মায় ট্রলার ডুবিতে ৪৬ গরুর মৃত্যু

রাজবাড়ী : রাজবাড়ীতে পদ্মা নদীতে গরুবোঝাই ট্রলার ডুবির ঘটনায় ৪৬টি গরুর মৃত্যু হয়েছে। মাঝিরা গরুর গলার দড়ি কেটে দিলে আট থেকে ১০টি পশু সাঁতরে তীরে উঠতে পেরেছে। মাঝি ও গরুর বেপারিরা অক্ষত আছেন।
আজ সোমবার বেলা চারটার দিকে রাজবাড়ী সদরের ধাওয়াপাড়া ঘাটের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ইউনিয়নের সাদারচর থেকে ছেড়ে মানিকগঞ্জের আরিচা ঘাটে যাচ্ছিল। পরে আরিচা থেকে ট্রাকে ঢাকার গাবতলীর হাটে যাওয়ার কথা ছিল গরুগুলোর।
দৌলতদিয়া ঘাটের ফেরি সংকটের সমস্যা এড়াতে এবং সময় বাঁচাতে কালুখালি ও পাংশার পাঁচ জন গরুর বেপারী ট্রলারযোগে কোরবানির পশু গরু বোঝাই করে ঝুঁকি নিয়ে উত্তাল পদ্মা পাড়ি দিচ্ছিল। তবে ওই ট্রলারের মাঝি-মাল্লাসহ গরুর বেপারিরা সবাই তীরে উঠতে সক্ষম হয়।
রাজবাড়ী সদরের চন্দনী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সিরাজুল আলম চৌধুরী জানান, ওই ট্রলারে ৫৪ টি গরু নিয়ে ঢাকার গরুর হাটে যাচ্ছিল বেপারিরা। পদ্মায় তীব্র ও ঘূর্র্ণায়মান স্রোতের টানে মাঝি নিয়ন্ত্রণ হারালে ট্রলারটি ডুবে যায়।
এদিকে পদ্মায় তীব্র স্রোত ও ফেরি সংকটে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ঈদ ঘনিয়ে আসায় দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে গরুবাহী শত শত ট্রাক নদী পারাপার হতে দৌলতদিয়া ঘাটে আসতে শুরু করেছে। কিন্তু ঘাটে এসে এ সকল পশুবাহী ট্রাকগুলো অন্যান্য গাড়ীর সাথে সিরিয়ালে আটকা পড়েছে। আগের দিন রাত থেকে আজ সোমবার সকাল পর্যন্ত শতাধিক যানবাহনের সিরিয়ালে আটকা পরছে। সিরিয়ালে আটকা পড়ে অসুস্থ হচ্ছে কোরবানির পশু। সোমবার দুই গরুর মৃত্যুও হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসির  দৌলতদিয়া অফিসের ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম জানান, এই রুটে ১৪টি ফেরি চলাচল করছে। এ নৌরুটে পর্যাপ্ত ফেরি না থাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা কঠিন হচ্ছে। তাছাড়া নদীতে তীব্র স্রোতের টানে ফেরি পারাপারে সময় বেশি লাগায় ট্রিপও কমে গেছে। ফলে প্রতিদিন যে পরিমাণ গাড়ি আসছে, তা পার হতে না পারায় প্রতিদিনই যানজট লেগেই থাকছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ