• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুরে ছাত্রী ধর্ষনের ঘটনায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

সিসি নিউজ: নীলফামারীর সৈয়দপুর কামারপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন কর্তৃক ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। সোমবার রাতে ধর্ষিতার বাবা আবু ছালেক নিজে বাদী হয়ে সৈয়দপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।মামলায় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের স্ত্রী আসমা বেগমকে আসামী করা হয়েছে।

অভিযোগে জানা যায়, কামারপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীনের সাথে সম্পর্ক তৈরি হয় ওই বিদ্যালয়ের ছাত্রী ও দলুয়া চৌধুরীপাড়া গ্রামের আবু ছালেকের কন্যা (১৭)। এক পর্যায়ে ওই প্রধান শিক্ষক ওই ছাত্রীর বাড়ী যাতায়াত করে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে ওই ছাত্রীকে প্রধান শিক্ষক বিয়ের আশ্বাস দেয় এবং তার লেখাপড়ার যাবতীয় খরচ বহন করে। সে অনুযায়ী ওই শিক্ষক তিন মাস থেকে তার যাবতীয় খরচ বহন করে এবং কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি করে। ছাত্রীর পিতা হত দরিদ্র রিক্সা চালক হওয়ায় ছাত্রীটি প্রধান শিক্ষকের কথায় বিশ্বাস করেন। এক পর্যায়ে ছাত্রীটি তার বাড়িতেই প্রধান শিক্ষক কর্তৃক যৌন হয়রানীর শিকার হন। এছাড়া ওই প্রধান শিক্ষকের বাসায় মাঝে মধ্যে ওই ছাত্রীকে ডেকে স্বামী স্ত্রীর মতো মেলামেশা করত। কয়েকদিন আগে ওই ছাত্রী বিয়ের চাপ দিলে ওই শিক্ষক তালবাহানা শুরু করেন। এমনকি তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এদিকে ঘটনা ধামাচাপা দিতে গত ৯ সেপ্টেম্বর প্রধান শিক্ষকের স্ত্রী আসমা বেগম, তার বোন ও তার দলের লোকজন দিয়ে ওই ছাত্রীর বাড়ীতে গিয়ে এ ঘটনা প্রকাশ না করার জন্য হুমকি প্রদান করেন। প্রকাশ করলে এর পরিণতি ভয়াবহ হবে। তার স্ত্রী হুমকি দেওয়ার পর ঘটনাটি প্রকাশ হয়ে গেলে ১১ সেপ্টেম্বর এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা উত্তেজিত হয়ে বিদ্যালয় অবরোধ করে। এসময় তারা ধর্ষণকারী প্রধান শিক্ষকের বিচার দাবী করেন। ঘটনার সময় বিদ্যালয় উপস্থিত হন উপজেলা চেয়ারম্যান মোকছেদুল মোমিন, ভাইস চেয়ারম্যান আজমল হোসেন সরকার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বজলুল রশীদ, সৈয়দপুর থানা অফিসার্স ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা অফিসারসহ সৈয়দপুর থানার পুলিশ সদস্যরা। উপস্থিত প্রশাসনের লোকজন অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।।

মামলা দায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ  (তদন্ত ) তাজউদ্দিন খন্দকার সিসি নিউজকে বলেন, আজ মঙ্গলবার ভিকটিমের জবাববন্দী গ্রহণে বিজ্ঞ আদালতে এবং ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য নীলফামারী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ