• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সুনামগঞ্জে জন্ম সনদসহ রোহিঙ্গা পরিবারের ১২ সদস্য আটক

সিসি ডেস্ক: মিয়ানমারে চলমান সেনা অভিযানের মুখে প্রান বাচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে এসে সুনামগঞ্জে পরিচয় গোপন করে নেয়া বাংলাদেশের নাগরিক ও জন্মসনদসহ একটি রোহিঙ্গা পরিবারের ১২ জনকে আটক করে পুলিশ।

শুক্রবার দুপুরে পুলিশ প্রহরায় তাদের টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে।

১৪ সেপ্টেম্বার বৃহস্পতিবার স্থানীয় লোকদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাহিরপুর উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়নের গুটিলা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে পুলিশ তাদের আটক করে বলে জানান সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থানার ওসি নন্দন কান্তি ধর।

এরা হলেন আবদুস সবুর (৫১), তার স্ত্রী আমিনা বেগম (৪২), ছেলে আবদুল হালিম (২৩), মেয়ে তালিহা আক্তার (১৫), মেয়ে হারিসা আক্তার (১৩), মেয়ে হালিমাতুস সাহিয়া (১১), মেয়ে সাবিহা আক্তার (৯), ছেলে আসলম শাহ (৭), মেয়ে উম্মা বেগম (২), আবদুল হালিমের স্ত্রী উম্মুল খাইরিন (২২) ও মেয়ে মোশারফা (১) এবং হালিমের শ্যালক কাউছার মিয়া (৭)।

তাদের বাড়ি মিয়ানমারের আকিদাবাদ জেলার মংদু থানার কুয়ান শিবং গ্রামে।

নন্দন কান্তি ধর বলেন, ‘স্থানীয় লোকদের কাছে খবর পেয়ে বড়দল ইউনিয়নের গুটিলা গ্রামের তোতা মিয়ার বাড়ি থেকে রাত ৯টায় তাদের আটক করে তাহিরপুর থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

এসময় তাদের কাছ থেকে বাদাঘাট বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত পাঁচটি নাগরিক সনদ ও তিনটি জন্মসনদ উদ্ধার করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘স্থানীয় তোতা মিয়ার এক ছেলে চট্টগ্রাম পড়াশোনা করেন। সেখানেই রোহিঙ্গা নাগরিক আবদুস সবুরের দুই ছেলেও পড়াশোনা করতেন। সেখানে তাদের পরিচয় ও বন্ধুত্ব হয়। সেই ঘনিষ্ঠতার সূত্র ধরে কয়েক মাস আগে এই পরিবারটি চট্টগ্রাম থেকে গুটিলা গ্রামে তোতা মিয়ার বাড়িতে আশ্রয় নেয়।’

তোতা মিয়ার পরিবার তাদের চট্টগ্রামের বাসিন্দা বলায় স্থানীয়রা প্রথমে তাদের চিনতে পারেনি। পরে বিষয়টি প্রকাশ পায় বলে জানান ওসি নন্দন।

নাগরিক সনদ ও জন্মসনদ দেওয়ার ব্যাপারে বাদাঘাট বড়দল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মনির উদ্দিন তাদের সনদ দিতে বলেন, তাই আমি সনদে স্বাক্ষর দিয়েছি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ