• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

শাহজালালে সোয়া কোটি টাকার বিদেশি মুদ্রাসহ যাত্রী আটক

সিসি ডেস্ক: সোয়া কোটি টাকা মূল্যের বৈদেশিক মুদ্রাসহ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে বহির্গমন যাত্রীকে আটক করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুল্ক গোয়েন্দারা অভিযান চালিয়ে মো. মামুন মিয়া নামে ওই যাত্রীর কাছ থেকে এই মুদ্রা উদ্ধার করেন।

শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাকা থেকে মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় শাহজালাল বিমানবন্দরের বহির্গমন এলাকা থেকে বুধবার গভীর রাতে তাকে আটক করা হয়।

বৈদেশিক মুদ্রার মধ্যে আছে সৌদি রিয়াল, ইউএই দিরহাম, মালয়েশিয়ান রিংগিত, থাই বাথ, ইন্ডিয়ান রুপি ও শ্রীলঙ্কান রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই বিদেশ মুদ্রার মূল্যমান এক কোটি ২৮ লাখ ৪২ হাজার ২৫৪ টাকা।
শুল্ক গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, মামুন মিয়ার বয়স ৪১ বছর। তার পাসপোর্ট নম্বর বিপি ০০২৭৬৫৭। মামুনের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার চরবকতাবলীর গোকুলনগর গ্রামে। তিনি ঢাকা-মালয়েশিয়া রুটের ফ্লাইট এমএইচ ১৯৭ ’র যাত্রী ছিলেন।
ইমিগ্রেশন পার হয়ে প্লেনে ওঠার মুহূর্তে তিনি আটক হন। পরে তার ব্যাগ তল্লাশি করে এই মুদ্রা উদ্ধার করা হয়। তার পাসপোর্ট চেক করে দেখা যায় তিনি ২০১৭ সালে এ পর্যন্ত ২৪ বার বিদেশ গিয়েছেন।

বিদেশি মুদ্রাগুলো তার ব্যাগের বিভিন্ন জায়গায় এবং ছবিবিহীন ফটো অ্যালবামে লুকানো ছিল। ব্যাগের নিচে বিশেষভাবে প্যাকেটে মোড়ানো অবস্থায় এই মুদ্রা পাওয়া যায়।

শুল্ক গোয়েন্দা সূত্র জানায়, মামুন মুদ্রা চোরাচালান করার চেষ্টা করছিলেন। ঘোষণা ছাড়া এবং লুকানোর কারণে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন ও শুল্ক আইন ভঙ্গ হয়েছে। এ কারণে তাকে শুল্ক আইন ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোয়েন্দাদের ধারণা, মামুন একজন বাহক। তিনি চোরাচালানি পণ্য কিনতে এই মুদ্রা অবৈধভাবে বহন করছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ