মুতাসিম বিল্লাহ পাপ্পু, ইবি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের আবাসিক হল গুলোতে গুরুত্বপূর্ণ মালামাল চুরি হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মুঠো ফোন, মানিব্যাগ, ল্যাপটপ সহ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মালামাল চুরি হচ্ছে নিজ রুম থেকেই। পবিত্র ঈদুল আযহার ছুটির পর থেকে এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র শহীদ জিয়াউর রহমান হল থেকেই ৪টি চুরির ঘটনা ঘটেছে।
ভুক্তভুগী শিক্ষার্থীরা জানায়, বেশির ভাগ চুরির ঘটনা ভোর ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে ঘটেছে। এই সময়ে শিক্ষার্থীরা ফজরের নামাজের জন্য মসজিদে যায়। আর এই সময়টিকে ব্যাবহার করছে চোররা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ তাদের গুরুত্বপূর্ণ জিনিস পত্রের মধ্যে মুঠোফোন, মানিব্যাগ, টাকা, ল্যাপ্টপই বেশি হারাচ্ছে। সেই সঙ্গে মানিব্যাগে থাকা ভোটার আইডি কার্ড, স্টুডেন্ট আইডি কার্ডও হারিয়ে যাচ্ছে। এতে করে বেশ বিপাকে পড়ছে তারা।
পিতা মাতার কষ্টে উপার্জিত অর্থে দূর-দূরান্ত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসে শিক্ষার্থীরা। মালামালের নিশ্চয়তা না থাকায় আতঙ্কিত হয়ে যাচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
সচেতন শিক্ষার্থীরা মনে করছেন নির্দিষ্ট সময়ে চুরির ঘটনা সন্দেহ জনক। হলে মাদক সেবী ও বহিরাগত দের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় এই ধরনের ঘটনা বেশি ঘটছে। এর পিছনে বড় কোন গ্যাংপ্লান থাকতে পারে বলেও মনে করছে শিক্ষার্থীরা।
গত ২২ আগস্ট ও ৫ অক্টোবর শহীদ জিয়াউর রহমান হলের ২২৫ নং ও ২৩৪ নং রুম থেকে মুঠোফোন ও মানিব্যাগ হারিয়ে গিয়েছে।
এছাড়াও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও লালন শাহ হলে ল্যাপটপ ও মুঠোফোন হারানোর ঘটনা ঘটেছে।
ভুক্তভুগী আইন বিভাগের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মাসুম মুন্না জানায়, “আমার ফোন ও মানিব্যাগ হারিয়ে গিয়েছে। মানিব্যাগে ৫০০ টাকা, স্টুডেন্ট আইডি কার্টসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাগজ ছিল। আমি জিডি করেছি। আর এবিষয়ে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।”
এবিষয়ে প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান বলেন, “চুরির বিষয়টি আমাকে কেউ জানায়নি। আমি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ব্যাবস্থা গ্রহণ করবো।”