• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

মৃত্যু ভয়ে তিন বছর নারকেল গাছে

সিসি ডেস্ক: গিলবার্ট সানচেজ। ফিলিপাইনের আগুসান দে সার প্রদেশের লা পাজ শহরের এই ব্যক্তি গত তিন বছর ধরে ষাট ফুট উঁচু একটি নারকেল গাছের উপর বসবাস করছেন। ২০১৪ সাল থেকে ২০১৭, এই তিন বছরে তিনি একদিনের জন্যও নিচে নামেননি। খাওয়া, ঘুম থেকে শুরু করে যাবতীয় প্রাকৃতিক কাজ তিনি সারেন গাছের উপর বসে। চলতি মাসে তাকে গাছ কেটে জোর করে নিচে নামানো হয়েছে।

ঘটনার শুরু ২০১৪ সালের গোড়ার দিকে। স্থানীয় এক গোলযোগ চলাকালীন সানচেজের মাথায় বন্দুকের গুলি এসে লাগে। মারাত্মক আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান তিনি। সুস্থ হওয়ার পর সারাক্ষণ একটি ভয় তাকে তাড়া করে ফিরতো। সে মনে করতো কেউ তাকে প্রাণে মেরে ফেলতে চাইছে। এই মৃত্যু ভয় থেকে বাঁচতে তিনি নারকেল গাছে উঠে পড়েন।

সানচেজের মা উইনিফ্রিদা সানচেজ থেকে শুরু করে পাড়া-প্রতিবেশী সবাই তাকে গত তিন বছরে বহুবার বহুভাবে বুঝিয়ে নিচে নেমে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন। কিন্তু কোনো অনুরোধেই তিনি কর্ণপাত করেননি। প্রবল ঝড় বৃষ্টি কিংবা পোকামাকড়ের কামড় কোনো কিছুই তাকে নারকেল গাছ থেকে নামাতে পারেনি। এমনকি বাবা হওয়ার সংবাদ শুনেও তিনি নিচে নেমে আসেননি। ফলে বাধ্য হয়ে তার মা একটি দড়িতে বেঁধে তার খাবার, কাপড়-চোপড় ও সিগারেট উপরে পাঠিয়ে দিতেন যাতে সে বেঁচে থাকতে পারে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই খবর ছড়িয়ে পড়লে লাপাজ পৌর কর্তৃপক্ষ সানচেজকে নিচে নামানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এরপর পঞ্চাশ সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল গাছ কেটে তাকে নিচে নামিয়ে আনে।

নিচে নামার পর সানচেজের শরীরের দিকে তাকিয়ে সবাই চমকে ওঠেন। দীর্ঘ দিন অযত্ন-অবহেলা আর পোকামাকড়ের কামড়ে তার শরীরে বড় বড় ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া তার পা অনেকটা বেকে গেছে। বর্তমানে ডাক্তারের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তার দিন কাটছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ