• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

‘প্রশ্নফাঁস চক্রে বিভিন্ন স্তরের কর্মী জড়িত’

সিসি ডেস্ক: বিভিন্ন স্তরে বেশ কয়েকজন মিলে তৈরি হয় একেকটি প্রশ্ন ফাঁসের চক্র। যারা প্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুতই পশ্নপত্র ফাঁস করে। গোয়েন্দাদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমন তথ্য। আর প্রযুক্তিবিদরা বলছেন প্রশাসনের সক্ষমতা না বাড়ালে প্রশ্ন ফাঁস রোধ সম্ভব নয়।
বেশ কয়েক বছর ধরে মেডিকেল ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি, চাকরিসহ বিভিন্ন প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস অনেকটাই নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি প্রাথমিকের সমাপনি থেকে শুরু করে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাতেও ফাঁস হচ্ছে পশ্নপত্র।
সাম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষার পশ্নপত্র ফাঁসের একটি চক্রের কয়েকজনকে আটক করে সিআইডি। যাদের কাছে পাওয়া যায় তথ্য-প্রযুক্তির কিছু সুক্ষ্ম যন্ত্র। প্রশ্নফাঁস প্রক্রিয়ায় পরীক্ষার্থীকে দেয়া হয় ক্রেডিট কার্ডের মতো দেখতে একটি খু্বই পাতলা মোবাইল ফোন ও ক্ষুদ্র ব্লুটুথ ডিভাইস। চক্রের একজন প্রশ্নের ছবি তুলে বাইরে পাঠায়। এরপর উত্তর বলে দেয়া হয় পরীক্ষার্থীকে।
পুলিশ বলছে, প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের অনেকেই গ্রেপ্তার হলেও পরীক্ষা সংশ্লিষ্টদের আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রশাসনের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানো না হলে এই অপরাধ দমন কষ্টসাধ্য।
প্রশ্নফাঁস রোধে পরীক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন আনারও পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষাবিদরা।

উৎস: ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ