• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বেরোবিতে তিন দফা দাবীতে মানববন্ধন

বেরোবি প্রতিনিধি: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) নিজস্ব বিভাগের শিক্ষককে বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ, শিক্ষকদের উদ্দেশ্যগত হয়রানী বন্ধ এবং সেশনজট ও আনুষঙ্গিক জটিলতা নিরসনের তিন দফা দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার সময় লোকপ্রশাসন বিভাগের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মানববন্ধন করেছে ঐ বিভাগের শিক্ষার্থীরা ।
মানববন্ধনে লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী পোমেল বড়ুয়ার সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন, উক্ত বিভাগের শিক্ষার্থী সেলিম হোসেন, জাকারিয়া জাকির, আবিদ হাসান, সৌরভ সরকার, ফিরোজ হাসান এবং মাহফুজুল ইসলাম বকুল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন,অজ্ঞাত কারণে লোকপ্রশাসন বিভাগে যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক থাকা সত্তেও বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। যার কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে লোকপ্রশাসন বিভাগটি। উপাচার্য বিভাগীয় প্রধান হওয়ায় যে কোন ধরনের সিদ্ধাšত এমনকি প্রত্যয়নপত্রের একটি স্বাক্ষর করতে ১৫/২০ দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
এছাড়াও শর্ত পূরণ করার পরেও নানান অযুহাতে বিভাগের শিক্ষকের প্রমোশন আটকে দেওয়া হয়েছে। যা অমানবিক।এছাড়াও এক শিক্ষকের স্থায়ীকরণ নিয়ে ষড়যন্ত্র করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে। শ্রেণী কক্ষ সংকট, শিক্ষক সংকট ও আনুষঙ্গিক প্রয়োজনীয় দাবীর বিষয়ে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছেনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। যার ফলে সেশনজট নিরসন তো দুরের কথা আরও বেড়ে যাচ্ছে।
এছাড়াও বক্তারা অভিযোগ করেন, উপাচার্যের আন্তরকিতা থাকলে একটি কুচক্রী মহল তাদের ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের জন্য উপাচার্যকে অনেক সময় অন্ধকারে রেখে শিক্ষকদের হয়রানির লক্ষ্যে প্রমোশন, স্থায়ীকরণ আটকে দিচ্ছে। উপাচার্যের (বিভাগীয় প্রধান) সাথে যৌক্তিক কাজে সাক্ষাত করতে গেলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছিত করা হচ্ছে। বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মাঝে কোন্দল লাগিয়ে দেওয়ার চেস্টা করা হচ্ছে। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় আজ আমরা মাঠে নেমেছি।
শিক্ষার্থীরা উক্ত বিভাগের প্রতি কুচক্রী মহলকে প্রতিহতের ঘোষণা দিয়ে বলেন, কেউ যদি এরপরেও কোন ধরনের অপচেষ্টা চালায় তবে তা প্রতিহত করার জন্য প্রয়োজনে কঠোর থেকে কঠোরতর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এ সময় তিন দফা দাবী পুরণ করা না হলে আন্দোলনের মাধ্যমে তা পুরণ করার হুশিয়ারী দেন শিক্ষার্থীরা।মানব্বন্ধন শেষে উপাচার্যের পক্ষ থেকে আগামী বছরের জানুয়ারী থেকে ঐ বিভাগ থেকে বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলে বিক্ষোভ সমাবেশে শিক্ষার্থীরা শুধু একটি দাবীর পক্ষে আশ্বাসের বিরোধিতা করে বলেন, আমরা তিনটি দাবিই পুরণ করতে হবে। শুধু একটি দাবী নিয়ে আমরা মাঠে নামিনি। তিনটি দাবী পুরণ না করা পর্যন্ত আমরা আন্দোলন বন্ধ করবো না বলেও জানান তারা।
এ সময় উক্ত বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ