• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

আত্রাইয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো পারাপার

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই: নওগাঁর আত্রাইয়ে পাঁচ গ্রামের মানুষের ভরসা এখন একটি বাঁশের সাঁকো। উপজেলার হাটকালুপাড়া ইউনিয়নের চকশিমলা-ফতেপুর রাস্তাটি এবারের স্মরণ কালের ভয়াবহ বন্যায় বিধ্বস্ত হওয়ায় এ সাঁকোই এখন হয়েছে ওই এলাকার হাজার হাজার জনসাধারণের এক মাত্র ভরসা।
জানা যায়, উপজেলার হাটকালুপাড়া ইউনিয়নের চকশিমলা, সন্যাসবাড়ি, বড়শিমলাসহ পাঁচটি গ্রামের হাজার-হাজার জনসাধারণের চলাচলের জন্য মান্দার ফতেপুর বাজার পর্যন্ত একটি রাস্তা তৈরি করা হয়। এ রাস্তাটি ইট দ্বারা এইচবিবিও করা হয়। কিন্তু এবারের ভয়াবহ বন্যায় রাস্তাটি ভেঙ্গে যায় সেই সাথে চকশিমলা গ্রামের ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তাও সম্পর্ণ ভেঙ্গে গিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে ওই এলাকার পাঁচ গ্রামের হাজার হাজার জনগণের যোগাযোগের ক্ষেত্রে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। সাঁকোর পশ্চিমাঞ্চলের লোকজনের বান্দাইখাড়া হয়ে আত্রাই উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগের জন্য এ রাস্তা ব্যবহার করতে হয়। সম্প্রতি বন্যায় রাস্তাটি সম্পর্ণ বিধ্বস্ত হওয়ায় দুই পারের মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ জন্য এলাকার লোকজন স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে এ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন।
এ ব্যাপারে চকশিমলা গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা যুগ যুগ থেকে যোগাযোগের ক্ষেত্রে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছি। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর আমাদের এ রাস্তাটি ইট দ্বারা এইচবিবি করে দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব হয়েছিলো। আপাতত চলাচলের জন্য আমরা এখানে বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছি। কোন মতে এর উপর দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে হাটকালুপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুস শুকুর সরদার বলেন, আমার ইউনিয়নের বন্যায় বিধ্বস্ত সব রাস্তা এলজিইডির তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা প্রকৌশলী সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মো: মোবারক হোসেন বলেন, বন্যায় বিধ্বস্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলো মেরামতের জন্য তালিকা প্রস্তুত করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাব্দ পেলে রাস্তাগুলো সংস্কার করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ