• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে ইলিজারভ পদ্ধতিতে হাড় ভাঙ্গা রোগীদের অপারেশন

এম এ মোমেন: নীলফামারীতে গত ৮ ডিসেম্বর থেকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ইলিজারভ পদ্ধতিতে রিং ও তারের সাহায্যে হাড় ভাঙ্গা এক রোগীর পায়ে অপারেশনের মাধ্যমে এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা সেবা শুরু হয়েছে। দাবী উঠেছে আধুনিক সদর হাসপাতালে এই পদ্ধতিতে চিকিৎসেবা শুরু করার।
এ অপারেশন করেন নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালের কনসালটেন্ট অর্থোপেডিক্স সার্জারী ডা: এ.ডি.এম গোলাম মোস্তফা (শুভ্র)।
চিকিৎসাধীন রোগী জুলফিকার (৫০) এর বাড়ী ডোমার উপজেলার চিলাহাটি বসুনিয়া পাড়া গ্রামে। তিনি জানান, প্রায় ৩ মাস আগে পিকআপ দূর্ঘটনায় তার এক পা ভেঙ্গে যায়। তিনি সংগাহীন অবস্থায় রংপুরে ২২ দিন চিকিৎসা সেবা নেন। সেখানে তার পায়ে প্লাস্টার বেধে দেয়া হয়। প্লাস্টার খোলার পর এক্সরে করে দেখা যায় হাড় বেকে রয়েছে। এরপর তিনি কবিরাজী চিকিৎসা গ্রহন করেন। তাতেও আরোগ্য না হওয়ায় তিনি ডাক্তার শুভ্রর চিকিৎসা সেবা গ্রহন করেন। এখন তিনি সুস্থ আছেন। লাঠিতে ভর দিয়ে হাটতে পারছেন।
সাংবাদিক ফরহাদ আলম নয়ন জানান, এই পদ্ধতি যেহেতু অধিক কার্যকর তাই আধুনিক সদর হাসপাতালে অপারেশন চালু হলে রোগীদের আর রংপুর ঢাকা ছুটোছুটি করতে হবে না।
ডা: গোলাম মোস্তফা (শুভ্র) জানান, এটি হাড় ভাঙ্গা রোগের খুব কার্যকর পদ্ধতি। শরীরে ছোট্ট অংশ কেটে এ চিকিৎসা দেয়া হয়। ওপেন ফ্রাকচার, দীর্ঘস্থায়ী ইনফেকশন, জন্মগত ও আঘাত জনিত বিকলাঙ্গতা অথবা এমন সব হাড়ের সমস্যা অন কোন পদ্ধতিতে করা সম্ভব না। ইলিজারভ পদ্ধতিতে ৬ মাস থেকে দেড় বছরের মধ্যেই রোগীরা সম্পূর্ন সুস্থ হয়ে যায়। এ পদ্ধতির বিশেষত হলো, চামড়ার ভেতরে প্লেট ও রড ঢোকানোর প্রয়োজন নেই তাই পরবর্তীতে অপারেশনের দরকার হয়না।
তিনি বলেন, সদর হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার অনেক উন্নত এমনটি অনেক মেডিকেল কলেজের চেয়েও। কর্তৃপক্ষ চাইলেই এই পদ্ধতিতে অপারেশন শুরু করা সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ