• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

খানসামায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে নেই জেএসসি’র ফলাফলের তথ্য!

বিশেষ প্রতিনিধি, ৩০ ডিসেম্বর: চলতি বছর অনুষ্ঠিত পিইসি, এবতেদায়ী, জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার ফলাফল ৩০ ডিসেম্বর দেশব্যাপী একযোগে প্রকাশিত হয়েছে। সেই সাথে দিনাজপুরের খানসামার শিক্ষার্থীদের ফলাফলও প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু খানসামা উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজমল হোসেন এখন পর্যন্ত ফলাফলের তালিকা হাতে পাননি।
ফলাফলের বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আজমল হোসেনের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়ে পাওয়া যায়নি। পরে তিনি কল ব্যাক করলে ফলাফলের বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়। তিনি বলেন, এই মূহুর্তে দেয়া যাবে না, কারণ ওরা তো অনলাইনে রেজাল্ট দিছে। ওরা তো রিপোর্ট দেয় নাই আমাদের।
রেজাল্ট শীট দিয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, না, না, না ওটা কালকে ছাড়া হবে না। পরে তার কথার উত্তর মোতাবেক বক্তব্য দিতে চাইলে তিনি বলেন, কালকে ছাড়া আমরা কোত্থেকে দেবো। না না কালকে ছাড়া আমি কি ভাবে দেবো? ওরা তো স্কুলে যেমন কারিগরী এবং মাদরাসা ওরা অনলাইনে নিছে, আমাদের তালিকা আসে নাই।
শিক্ষা অফিসকে তালিকা দেবে কি না জানতে চাইলে তিনি আরও জানান, দেয় নাই ভাই! কেন বুঝতেছেন না আপনি? তবে অনলাইন কিংবা ওয়েব সাইট থেকে শীট ডাউনলোড করেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, না, আমরা কেন? ওরা আমাদেরকে কালকে রিপোর্ট দেবে বলে উল্লেখ করেন। শিক্ষা অফিসারের সাথে কথোপকথনের এসব রেকর্ড রয়েছে।
অপরদিকে, নামকরা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আমরা নিজ নিজ পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে ফলাফল তালিকা সংগ্রহ করেছি। পরে কেন্দ্র সচিবদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, তিনি মিথ্যা বলতে গেলেন কেন? আমরা তো শিক্ষা অফিস থেকে নিয়ে এসেছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ