• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ডিমলায় অজানা রোগে আক্রান্ত দুই শিশু

বিশেষ প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডিমলায় দুই শিশু অজানা রোগে আক্রান্ত হয়ে এখন পঙ্গু হতে বসেছে। একই পিতা মাতার এ দুই সন্তানের এ অবস্থায় জনমনে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।

জানা যায়, জেলার ডিমলা উপজেলার নাউতারা উত্তর নিচপাড়া ভুল্লীরটারী গ্রামের লিটন রানা ও স্মৃতি বেগমের দুই ছেলে ১৩ বছরের আরিফুজ্জামান বিপ্লব ও ৯ বছরের লামবাবু। জন্মের পর থেকে তাদের কোন রোগ ছিলো না। অন্যসব শিশুদের মতোই স্বাভাবিক ভাবেই স্কুলে যেত, খেলাধুলা ও দৌড়ঝাপ করতো স্বাভাবিক ভাবেই। বিপ্লব ক্লাস টু-তে পড়তো। আর ছোট ছেলে লাম পড়ে ক্লাস ওয়ানে। এখন তারা আর স্কুলে যেতে পারে না। মা স্মৃতি বেগম জানান, ৭ থেকে ৮ বছর বয়সে গিয়ে আমার বড় ছেলে বিপ্লব ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এক সময় সে আর হাটতে ও চলতে পারে না। একই ভাবে ছোট ছেলে লাম বাবুও ঠিক একই সময়ে এসে সেও হাটতে ও চলতে পারছে না। বর্তমানে দুটি ছেলেই কথা বার্তা বলতে পাড়লেও এখন পঙ্গু হয়ে শুধুই বসে থাকে। এ নিয়ে অনেক ডাক্তার কবিরাজ দেখিয়েছি কিন্তু কোন কাজ হয়নি। যখন যেখানে যে বলেছে সেখানেই নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করিয়েছি। রংপুর ও ঢাকায় নিয়েও চিকিৎসা করিয়েছি ছেলে দুইটির। ডাক্তাররা বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করেও রোগ ধরতে পারছে না শুধু বলছে ডিএমডি রোগে অক্রান্ত হয়েছে। দুটি সন্তানের এ অবস্থায় দিশেহারা হয়ে মা বাবা এখন পাগল প্রায়। তবে তারা দুজনে জানায়, তামাদের স্বামী-স্ত্রী’র রক্তের গ্রুপ একই। কিন্তু ডাক্তার বলেছে রক্তের গ্রুপ একই হলে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু কি কারনে আমাদের ছেলে সন্তান দুইটি ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়ে আর হাটতে ও চলতে পারছে না সে বিষয়ে ডাক্তার কোন উত্তররেই দিতে পারছেন না। বাবা-মায়ের আকুতি যদি এ রোগের কোন চিকিৎসা খোঁজে পাওয়া যেত তাহলে ছেলে সন্তান দুইটির জন্য শেষ চেষ্টা করে যেতেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ