বিনোদন ডেস্ক, ২৩ মার্চ : ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখতেন অভিনেত্রী হওয়ার। টিনসেল টাউন যেন চুম্বকের মতো আকর্ষণ করত তাঁকে। আজ তিনি যে তাঁর লক্ষ্যে সফল তা বলাই যায়। তবে এ রাস্তা কিন্তু মোটেই সহজ ছিল না। আউটসাইডার হিসেবে যে কত কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে তা বোধহয় কল্পনারও বাইরে। আজ সেই বলিউড কুইন কঙ্গনা রানাওয়াতের জন্মদিন।
হিমাচল প্রদেশের ছোট্ট এক শহরের মেয়ে কঙ্গনা। অসংখ্য বাধা, বিপত্তি কাটিয়ে কীভাবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছলেন তা কেউ জানেন, কেউবা জানেন না। তবে খোলা বইয়ের মতোই কিন্তু জীবন তাঁর৷ সেলিব্রিটি বলে লুকিয়ে রাখেননি কোনও কথাই। নিজের জীবনের সমস্যার কথা জনসমক্ষে ব্যক্ত করে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন বারেবারে। যে জায়গা তিনি অর্জন করেছেন সেখানে দাঁড়িয়ে যেকোনও সিনেমাকে একাই সাফল্যের পথ দেখানোর ক্ষমতা রাখেন।
বলিউডের কুইনের জন্মদিনে এমন কিছু তথ্যে আপনাদের আলোকপাত করাবো যা হয়তো অনেকের কাছে অজানা।
১) শোনা যায়, কঙ্গনা নাকি একটি ছবির জন্য ১১ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন।
২) দেরাদুনে পড়াশোনার সময়ই তাঁর মধ্যে মডেলিং ও অভিনয়ে আগ্রহ বাড়তে থাকে। ঠিক করেন ম্ম্বুই যাবেন। তবে বাধ সাধে তাঁর পরিবার। পরিবারের অমতে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে আসেন স্বপ্নের শহর মুম্বইতে। তখন বয়স মাত্র ১৭ বছর৷ ওইটুকু বয়স থেকে শুরু হয়ে যায় স্ট্রাগল।
৩) মুম্বইতে রোজ হাজার হাজার ছেলে মেয়ে আসে অভিনয় সুযোগ পাওয়ার আসায়। একই স্বপ্ন কঙ্গনারও ছিল। কিন্তু কখনও ভাবেনিন এক মাসের মধ্যে ‘গ্যাংস্টার’ ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পাবেন।
৪) কিছু মেয়েদের সঙ্গে কোনও এক শ্যুটের জন্য বসেছিলেন। হঠাৎই একজন ভদ্রলোক এসে তাঁকে মহেশ ভাটের অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁর সঙ্গে আলাপ হয় মোহিত সুরি ও অনুরাগ কাশ্যপের। তখন চলছিল ‘গ্যাংস্টার’র অডিশন। অডিশনের দেওয়ার পর মোহিত ও অনুরাগের তাঁকে ‘সিমরান’র চরিত্রে একদম পারফেক্ট লাগলেও মহেশ ভাট সন্তুষ্ট হননি। তিনি আরও পরিণত অভিনেত্রী চাইছিলেন। তাঁর মতে তখন কঙ্গনা চরিত্রের জন্য বেশ অল্প বয়সী।
৫) রিজেকশনের পর কঙ্গনা জানতে পারেন সিনেমায় শাইনি আহুজা রয়েছেন মূখ্য ভূমিকায়। বিপরীতে চিত্রাঙ্গদা সিং। পরবর্তীকালে চিত্রাঙ্গদার সঙ্গে কোন সমস্যা হওয়ায় ‘গ্যাংস্টার’র চরিত্রটি ফের চলে আসে কঙ্গনার ঝুলিতেই। এইভাবেই তিনি বলিউডের জগতে পা রাখেন।