• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

চিলমারীতে ইমামকে ঘিরে উত্তেজনা!

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সরকার পাড়া জামে মসজিদে ইমামের পিছনে নামাজ পড়াকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থানে। বাড়ছে উত্তেজনা।
জানা গেছে, সরকার পাড়া জামে মসজিদের বর্তমান ইমাম মাও. মোঃ মিনানুল ইসলাম বেশ কিছু দিন থেকে মসজিদে ইমামতি করে আসছেন। কিন্তু বিগত কয়েকদিন থেকে হঠাতেই মুসুল্লিদের সাথে দু’ব্যবহার, বিয়েতে অতিরিক্ত ফি আদায়, হঠাতেই রেগে যাওয়া ছাড়াও মুসুল্লিদের সম্মান নষ্ট করাসহ রমজানে মাসে তারাবির নামাজ নিয়ে বিভক্ত সৃষ্টি করাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় উত্তেজনা। আর এই উত্তেজনা গড়ায় ঈদের মাঠে অনেকেই উক্ত ইমামের পিছনে নামাজ পড়বেন না বলেও ঘোশনা দেন পরে এলাকার বয়স্কদের সমন্বয়ে নামাজ আদায় করে। কিন্তু আবারো রুপ নেয় ঈদের পর জুম্মার নামাজ আদায় এর সময়। একটি গ্রুপ নামাজ আদায় করতে চাইলেও অপর গ্রুপ আদায় করবেন না তা নিয়ে শুরু হয় টানটান উত্তেজনা মুখোমুখি অবস্থান নেন দু’টি পক্ষ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে এবং পরবর্তিত্বে তা সমাধান করার পরামর্শদের অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম। তা সমাধান না হওয়ায় উক্ত ইমামের পিছনে নামাজ পড়া না পড়া নিয়ে তা আবার উত্তেজনায় রুপ নেয় পরবর্তি শুক্রবার ( ২৯ জুন) আবারো মুখোমুখি অবস্থান নেয় দু’টি পক্ষ। এসময় উক্ত ইমামের পিছনে নামাজ না পড়াগন সকলকে উত্তেজনা না হওয়ায় পরামর্শদেন এবং ইমামের পক্ষের লোকজন নামাজ পড়ে বের হওয়ায় পর তারা আবারো উক্ত মসজিদেই নামাজ আদায় করেন। এলাকার বেশকিছু মুসুল্লি জানান সত্যি বলতেকি এই ইমাম কিছুদিন থেকে মুসুল্লিসহ এই এলাকার মানুষজনের সন্মান নিয়ে টানাটানি করছেন। এছাড়াও রমজান মাসে তারাবির নামাজে খতম না পড়ে তারাবির নামাজে সূরা পড়ার পরামর্শদেন এবং কিছু লোক নিয়ে হট্টগোলও করেন তখনো মানুষ দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে নামাজ পড়েছেন। এছাড়াও তার সূরা কেরাতও ছহি নয়। এছাড়াও উক্ত ইমাম বিবাহ পড়াতে গেলে টাকা নেয়ার সময় গরীব, ধনী না মেনেই অতিরিক্ত ফি দাবি করেন আর তা না হলে বিবাহ পড়ান না। আবার কেউ কেউ বলেন কমিটি নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় তা ইমাম পর্যন্ত গড়িয়েছে তাই সমস্যা হচ্ছে ইমামের দোষ নাই এছাড়াও তিনি ভালো ভাবেই মসজিদে ইমামতি করে আসছেন। অভিযুক্ত ইমাম মোঃ মিনারুল ইসলাম সাথে যোগাযোগ করা হলে তার দেখা পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ