• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ডোমারে সভাপতি সেজে মাদ্রাসার বরাদ্দ চাল উত্তোলন

নীলফামারী প্রতিনিধি, ২৩ জুলাই: জেলার ডোমার উপজেলার গোমনাতী বাজার চৌধুরীপাড়া আয়শা সিদ্দিকা হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সরকারী বরাদ্দকৃত চাল আত্বসাৎ করেছেন ওই প্রতিষ্ঠানের কথিত সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান। পরবর্তীতে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে বিতরনকৃত চালের অর্থ ফেরত নিয়েছেন ডোমার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়। ফেরতকৃত টাকা ওই প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত সভাপতির কাছে বিতরনরে জন্য তার দ্বারে ধর্না দিচ্ছেন কর্মকর্তারা। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, এই প্রতিষ্ঠানের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার ২০১৭-১৮ অর্থবছরের মানবিক সহায়তার কর্মসূচীর আওতায় জিআর প্রকল্পের মাধ্যমে ১ টন চাল বরাদ্দ দেয়। এতিমদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল তারা পায়নি। চলতি মাসের ২ জুলাই এলাকার মৃত আজিজার রহমানের ছেলে মোজ্জাম্মেল হক নামের এক ব্যক্তি ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি সেজে অন্যর ছবি জমা দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের সত্যায়ন সহ জমা দিয়ে ডোমার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস হতে চালের বিপরীতে ২৪ হাজার টাকা উত্তোলন করে নিয়ে যায়। এই বরাদ্দের ১ মেট্রিক টন চাল উত্তোলনে ভুয়া সভাপতি মোজাম্মেল হক ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক একই এলাকার বাবুল হোসেনের ছেলে আব্দুল খালেদ চাল বুঝে নেয়ার সময় ডোমার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিসের খাতায় এবং মানবিক সহায়তার কর্মসূচীর আওতার নির্ধারিত ফর্মে ছবি প্রদান করে স্বাক্ষর করেছে। অথচ ওই হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সভাপতি রইসুল ইসলাম চৌধুরী ও শিক্ষক হাফেজ এরশাদুল হক জানান, তাদের প্রতিষ্ঠান বরাদ্দের জন্য চাল এসেছে এবং তা উত্তোলন করা হয়েছে তা তারা জানেন না।

এ ব্যাপারে ডোমার উপজেলার প্রকল্প ও বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান ভুয়া পরিচয়ে চেয়ারম্যানের সত্যায়ন নিয়ে চাল উত্তোলনের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উত্তোলিত টাকা চেয়ারম্যান ফেরত দিয়ে গেছেন। এখন প্রকৃত সভাপতির কাছে বিতরন করা হবে। তবে কিভাবে ইউপি চেয়ারম্যান ভুয়া ব্যাক্তিকে সত্যায়ন করেন এ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। এ ব্যাপারে গোমনাতী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারনম্যান আব্দুল হামিদ জানান, তিনি ওই প্রকল্পে মোজাম্মেল নামের কাউকে সত্যায়ন করেন নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ