• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

কারাগারে আদালত স্থাপন অসাংবিধানিক নয়: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর: আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খালেদা জিয়ার বিচারে কারাগারে আদালত বসানো অসাংবিধানিক নয়। তিনি বলেন,কারাগারে আদালত বসিয়ে বিচার এটা নতুন কিছু নয়, বাংলাদেশে এর আগেও কারাগারে আদালত বসিয়ে বিচার করা হয়েছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সময়ই এ রকম বিচার হয়েছে। সেই বিচারে কর্নেল তাহেরের ফাঁসি হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের জরুরি বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়ার বিচার ক্যামেরা ট্রায়ালে হচ্ছে না। পুরো দরজা খোলাই ছিল। এটা ক্যামেরা ট্রায়াল হল কীভাবে?

প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, তার (খালেদা জিয়ার) আইনজীবীরা ভেতরে যাননি। তাদের (বিএনপির) কোনো কোনো আইনজীবী গেটে গিয়ে বসেছিলেন। কিন্তু কোর্ট রুমে ঢুকেননি। তারা আশপাশে বসেছিলেন। অবাধে সবাই যাতায়াত করতে পেরেছেন। এটা কীভাবে ক্যামেরা ট্রায়াল হয়?

বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়ার মামলার বিচারে কোনো রাজনীতি নেই, কোনো প্রতিহিংসা নেই। সে এতিমের টাকা খেয়েছে বলেই আদালত তাকে সাজা দিয়েছেন। সে যদি নির্দোষ হতো তাহলে তার আইনজীবীরাই প্রমাণ করতে পারত যে, সে নির্দোষ। কাজেই অপরাধীর সাজা তো হবেই।

উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে আবারও নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার জন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ টানা দুই মেয়াদে ক্ষমতায় ছিল বলেই বাংলাদেশের উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়েছে, সেভাবেই এগিয়ে যাবে। এই উন্নয়নের গতিধারা ধরে রাখতে হলে অবশ্যই নৌকায় ভোট দিতে হবে। আওয়ামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় অনতে হবে। আর এই ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে ৩০ লাখ শহীদের রক্তে অর্জিত স্বাধীনতা অর্থবহ হবে। এর জন্য দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি আনতে হবে। আর এটা একমাত্র আওয়ামী লীগই আনতে পারবে।

ড. কামাল হোসেনসহ কয়েকজন রাজনীতিবিদের জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া গঠনকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের বিকল্প থাকুক, এটা তারাও চান। এখানে উচ্চশিক্ষিত জ্ঞানী-গুণী আইনজীবী, হোমরা-চোমরাদের অনেকেই আছেন। আমরাও চাই, তারা আসুক। নির্বাচনে অংশ নিক। তবে তারা যেন স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতে ইসলামীসহ সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে কাছে না টানেন- এটাই আশা করি।

ড. কামালের নাম উল্লেখ না করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি নিজেকে সংবিধান প্রণেতা হিসেবে দাবি করেন। তাহলে তিনি কীভাবে সংবিধানের বাইরে গিয়ে নির্বাচনের কথা বলেন, সরকার গঠনের কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সূচনা বক্তব্যের পর তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে দলের কার্যনির্বাহী সংসদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ