• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

শিলিগুড়ি থেকে পার্বতীপুর ডিপোতে আসবে তেল

সিসি ডেস্ক, ১৮ সেপ্টেম্বর।। ভারত থেকে পাইপলাইনে তেল আমদানিতে বছরে সাশ্রয় হবে অন্তত ২০ কোটি টাকা। বাঁচবে সময়। পাশাপাশি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার ঝুঁকি অনেক কমবে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
আমদানি করা জ্বালানি তেল চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রেল বা নদীপথে উত্তরাঞ্চলের জেলায় পৌঁছাতে সময় লাগে এক সপ্তাহের মতো। এই যোগাযোগ ব্যবস্থা কোনো কারণে ব্যাহত হলে দেখা দেয় জ্বালানি সংকট। এ সংকট মোকাবেলায় ভারত থেকে সরাসরি পাইপ লাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয় ছয় বছর আগে।
১৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন দিয়ে আসামের নুমালিগড় রিফাইনারির ডিজেল শিলিগুড়ির তেল বিপণন টার্মিনাল থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুর ডিপোতে আসবে কয়েক ঘন্টায়। পার্বতীপুর থেকে সড়ক কিংবা রেল পথে ডিজেল পাঠানো হবে দিনাজপুর, বগুড়া, রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের সব জেলায়।
‌বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন নামে পরিচিত এই প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৫২০ কোটি, যার বেশিরভাগই অনুদান হিসাবে দিচ্ছে ভারত। জমি অধিগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের ভাগে পড়বে ১৭০ কোটি টাকা। তেল চুরি কিংবা নাশকতা ঠেকাতে এই পাইপলাইনে থাকবে স্বয়ংক্রিয় এবং সনাতনী পদ্ধতির লাইন পাহারা। বসানো হবে জিপিএসসহ আধুনিক নিরাপত্তা ডিভাইস, যার মাধ্যমে অনাকাঙ্খিত কেউ লাইনে হাত দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা সনাক্ত করা যাবে।
জ্বালানি বিশ্লেষকরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, প্রয়োজনমত তেল সরবরাহ হলে উপকৃত হবে বাংলাদেশ। চুক্তির শর্ত ঠিকঠাকমত বাস্তবায়নেরও তাগিদ দেন তারা।
প্রাথমিকভাবে বছরে আড়াই লাখ টন ডিজেল আমদানি করবে বাংলাদেশ। পর্যায়ক্রমে তা বেড়ে ৪ লাখ টনে পৌঁছাবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, এই পাইপলাইন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
পাইপ লাইন নির্মাণ শুরুর আড়াই বছরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা। সে হিসাবে ভারত থেকে বাংলাদেশে পাইপ লাইনে তেল আসা শুরু হবে ২০২১ সালের মার্চে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ