• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

চিকিৎসায় নোবেল পেলেন মার্কিন ও জাপানী বিজ্ঞানী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ক্যান্সার চিকিৎসায় বিশেষ অবদান রাখায় যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের জেমস পি এলিসন ও জাপানের তাসুকো হোনজো। সুইডেনের স্টকহোমে তাদের নাম ঘোষণা করে নোবেল কমিটি। পুরস্কারের ১০ লাখ ডলার, ১০ ডিসেম্বর পাবেন এই দুই বিজ্ঞানী।

ক্ষতিকর কোষ ধ্বংস করার জন্য মানবদেহে রয়েছে স্বাভাবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা। তবে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষ বিশেষ প্রক্রিয়ায় এই প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে সক্ষম। যে কারণে অগোচরেরই বিস্তার ঘটে ক্যান্সার কোষের।

দেহের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে ক্যান্সার চিকিৎসায় সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে এ বছরের নোবেল জয় করলেন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের দুই চিকিৎসাবিজ্ঞানী।

নোবেল কমিটির সেক্রেটারি থমাস পার্লমান বলেন,”চিকিৎসাশাস্ত্রে এবারের নোবেল পদকের জন্যে যৌথভাবে পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জেমস পি এলিসন এবং জাপানের তাসুকো হোনজো। ক্যান্সার চিকিৎসায় বিশেষ অবদানের জন্যে তাঁদের এ পুরষ্কার সম্মানিত করা হয়েছে।”

দেহের রোগ প্রতিরোধ শক্তিকে নতুন পদ্ধতিতে কাজে লাগিয়ে ক্যান্সার কোষ শনাক্ত ও ধ্বংস করার ওষুধ আবিষ্কার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের অধ্যাপক জেমস পি এলিসন। তার এই ওষুধ দেহ প্রোটিনকে ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষের নিজস্ব সুরক্ষা ব্যবস্থাকে অকার্যকর করে দিতে সক্ষম। এই ওষুধের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকলেও শেষ পর্যায়ে শনাক্ত হওয়া ক্যান্সারের চিকিৎসায় কার্যকর বলে প্রমাণ হয়েছে।

একই ধরনের গবেষণা চালিয়েছেন জাপানের কিয়োটো ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক তাসুকো হোনজো। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় জরুরি এক ধরনের প্রোটিন কী করে আবার ক্যান্সার ছড়াতেই সহায়তা করে.. তা আবিষ্কার করেছেন তাসুকো। আর ক্যান্সার হলে এই প্রোটিনকে নিষ্ক্রিয় করার উপায়ও বের করেছেন তিনি।

এই দুই বিজ্ঞানীর গবেষণা ক্যান্সার চিকিৎসায় মাইল ফলক বলছে নোবেল কমিটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ