• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটের আশা সিইসির

সিসিনিউজ: সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আশা ব্যাক্ত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। পাশাপাশি তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিরাজমান দূরত্ব কমিয়ে আনার আহ্বান জানান।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে এই আহ্বান জানিয়েছে তিনি। আজ সন্ধ্যা ৭টায় এই ভাষণ শুরু হয়। বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বেসরকারি টেলিভিশনগুলো ভাষণটি সম্প্রচার করে।

ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের বিষয়ে ইসির প্রস্তুতি সম্পর্কে দেশবাসীকে অবহিত করেন। নির্বাচনে যারা দায়িত্ব পালন করবেন তাদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহবান জানান তিনি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, এই প্রথম অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিলের সুযোগ পাবেন প্রার্থীরা।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের সফলতার কথাও তুলে ধরেন সিইসি।

নির্বাচন ২৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে নূরুল হুদা বলেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে ২৩ ডিসেম্বর।  মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ১৯ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই শেষ হবে ২২ নভেম্বর। আর ২৯ নভেম্বর পর‌্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ পাবেন প্রার্থীরা।

প্রসঙ্গত, গত ৩১ অক্টোবর থেকে নির্বাচনের ক্ষণ গণনা শুরু হয়েছে। ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত বর্তমান সংসদের মেয়াদ রয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা আছে। এর আগে নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থা নিয়ে রাজনৈতিক বিরোধের কারণে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচনে বিএনপিসহ ইসির নিবন্ধিত বেশ কিছু দল বর্জন করেছিল। ফলে ওই ভোটে দেড় শতাধিক আসনের প্রার্থীরা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন। এবারেও একই ইস্যুতে রাজনৈতিক বিরোধ অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ