• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

রেলওয়ের জন্য ৪০টি ইঞ্জিন কেনার চুক্তি

সিসি ডেস্ক, ১৫ জানুয়ারী।। বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ৪০টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ ইঞ্জিন কেনার জন্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সোমবার রেলভবনে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স প্রোগ্রেস রেল-এর সঙ্গে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এ চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (আরএস) মো. শাসসুজ্জামান এবং আমেরিকান কোম্পানী প্রোগ্রেস রেলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক ও ডনেল কোম্পানীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, রেলকে যুগোপযোগী উন্নয়নে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হবে।
তিনি বলেন,মানুষকে রেলের মাধ্যমে কাঙ্খিত সেবা দেওয়ার জন্য সরকার সর্বোত্তম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইঞ্জিন পাওয়া শুরু করলে বিভিন্ন রুটে ট্রেন চালানো আরো বেশি সম্ভব হবে এবং এর মাধ্যমে রেলওয়ে খাতে আরো বেশী রাজস্ব আহরণ সম্ভব হবে বলে মন্ত্রী জানান।

মন্ত্রী এ সময় জানান, লোকবল সংকটে সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। দ্রুত লোকবল নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে। রেল খাতকে একটি উন্নত দেশের কাতারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে তিনি কাজ করবেন বলেও জানান।

নতুন কোচগুলোকে পয়ঃনিস্কাশনের পরিবেশ বান্ধব ব্যবস্থা করার জন্য ইতোমধ্যেই তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

চুক্তি অনুযায়ী ২৪ থেকে ৩৬ মাসের মধ্যে সব ইঞ্জিন সরবরাহ করবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। এশিয় উন্নয়ন ব্যাংক(এডিবি)-এর অর্থায়নে লোকোমোটিভ গুলো ক্রয় করা হচ্ছে। বাংলাদেশী টাকায় চুক্তি মূল্য ১১২৩ কোটি ৫ লাখ টাকা।

বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়েতে ৯৪টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ রয়েছে যার মধ্যে ৫৫টির অথনৈতিক আযুস্কাল (২০ বছর হিসাবে) শেষ হয়ে গেছে। কাজেই দ্রুত এসব ইঞ্জিন প্রতিস্থাপনের জন্য নতুন ইঞ্জিন পাওয়া খুবই দরকার।

এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন, মহাপরিচালক মো. কাজী রফিকুল আলম, নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ