• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

র‌্যাফেল ড্র এর নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে

পীরগঞ্জ (ঠাকুরগা) প্রতিনিধি।। ঠাকুরগাঁও পীরগঞ্জে মুক্তা র‌্যাফেল লটারীর নামক সংগঠনটি আবাল বৃদ্ধ বণিতা সকলের কাছ থেকে লটারীর নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। বিভিন্ন স্লোগানে কুপুন ও বক্স সহ ভাড়া করা বিভিন্ন বাহনে নানা স্লোগানে জনগনকে মাতিয়ে ২০ টাকার বিনিময়ে কুপুন বিক্রি করছে। “মাথায় নষ্ট মামা একবার যদি লাইগা যায় লাল টুকটুকে পালসার গাড়ী”। উল্লেখ্য যে, লটারী বিক্রির অনুমোদন শুধূ জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এর বার্ষীক উরুষ মেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু দুই উপজেলায় অনুমোদন না থাকা সত্বেও অবাদে বিক্রি হচ্ছে লটারীর কুপুন। প্রতিদিন পীরগঞ্জ উপজেলায় গড়ে ২০-২৫টি যানবাহন দিয়ে মুক্তা র‌্যাফেল ড্র এর নামে লটারী কুপুন বিক্রি করছেন। এ ব্যাপারে পীরগঞ্জ উপজেলায় কুপুন বিক্রির অনুমোদন আছে কি না উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব ডব্লিউ এম রায়হান শাহ এর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন অনুমোদন নেই এবং তিনি পাশ্ববর্তী রাণীশংকৈল উপজেলার নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের সাথে কথা বলতে চান। এদিকে রাণীশংকৈল উপজেলার নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন লটারী অনুমোদন দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মহোদয়। আমার করার কিছুই নাই।
প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ফলে ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে দুই উপজেলার সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। এ ব্যাপারে র‌্যাফেল ড্র এর ম্যানেজারের সাথে মুঠোফনে অনুমোদন আছে কিনা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন শতভাগ অনুমোদন আছে। কয়েটি উপজেলায় আপনার প্রচার গাড়ী কুপুন বিক্রি করতে পারবেন এই কথা বললেই তিনি ফোন কেটে দেন। ম্যানেজার দাপটের সাথে বলেন অনুমোদন আছে বলেই এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে নির্দিধায় লটারী কুপুন বিক্রি করে যাচ্ছি। এতে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। সময় অসময়ে মাইকিং এর ফলে ভীষণ শব্দ দুষণ হলে এসএসসি’র পরীক্ষার্থী ও অভিভাকরা ক্ষোভ প্রকাশ ও উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ