• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

প্লাস্টিকের চালের খবর ভিত্তিহীন: কৃষিমন্ত্রী

সিসি নিউজ, ৬ ফেব্রুয়ারী।। গাইবান্ধায় প্লাস্টিকের চাল পাওয়ার খবরকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, এটা কোনোক্রমেই সম্ভব না।

বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

সম্প্রতি গাইবান্ধায় প্লাস্টিকের চাল পাওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমে এলে বিষয়টি নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, প্লাস্টিকের চালের খবরের কোনো ভিত্তি নেই। আমি জেলা প্রশাসক (ডিসি), ডেপুটি ডিরেক্টরের (কৃষি) সঙ্গে কথা বলেছি, তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সেই চাল এনে রান্না করা থেকে শুরু করে মুড়ি বানানো পর্যন্ত হয়েছে। সেটা প্লাস্টিকের চাল- এটা কোনোক্রমেই বাস্তবসম্মত না।

দেশের চাল এখন সারপ্লাস, চাষিরা বিক্রি করতে পারছে না- যোগ করেন মন্ত্রী।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমি আমার রিসিপশনে (সংবর্ধনা) টাঙ্গাইলে গিয়েছি, হাজার হাজার মানুষ টাঙ্গাইল শহরে। এক দাবি- চালের দাম নেই, আমরা কৃষকরা শেষ হয়ে গেলাম। এ সম্পর্কে কৃষিমন্ত্রী আমাদের কিছু বলুন। আমি যখন বলেছি, মানুষ হাততালিতে ফেটে পড়েছে। কাজেই প্লাস্টিকের চাল, কোথায় থেকে এটা সম্ভব নাকি? কেন খাওয়াবে?

সেই চালের কিছু নমুনা ঢাকাতেও পাঠানো হয়েছে -এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমরা সেগুলোও দেখব। ওখানে আমাদের কৃষিবিদরা দেখেছে। প্লাস্টিকের চাল এটা ইম্পসিবল, এটা হতেই পারে না।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, এ দেশে বলে কাছিমের ডিম! আচ্ছা, এটা কি সম্ভব? গত আড়াই বছর ধরে পাঁচ টাকা ৩০ পয়সা একটা ডিমের উৎপাদন খরচ, সেটি বিক্রি করেছে সাড়ে চার টাকায়। কালকেও আলাপ হলো, একদিনের একটা মুরগির বাচ্চা ন্যূনতম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা খরচ, ১৮ থেকে ১৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পোলট্রি খামারিরা একেবারে শেষ হয়ে গেল। এগুলো আপনারা বলুন। ৮ শতাংশ ইন্টারেস্ট ছিল প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের ফলেও ১২-১৩ শতাংশ করে দিয়েছে। পোলট্রি ফার্ম-ডেইরি ফার্ম কী করে চলবে? তারা মুরগি বিক্রি করতে পারে না। তেলাপিয়া মাছ ৬০-৭০ টাকা ফার্ম গেট প্রাইজ। কাজেই এগুলো অবাস্তব।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ দানা জাতীয় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এখন আমাদের চ্যালেঞ্জ হলো কী করে মানুষকে পুষ্টি সম্মত খাওয়াতে পারি এবং কীভাবে নিরাপত্তা বাড়ে। নির্বাচনী ইশতেহারেও এটাকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ