• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ইংরেজির পাশে বাংলায় রায় লেখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সিসি ডেস্ক, ২২ ফেব্রুয়ারী।। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আদালতের রায় অন্য ভাষায় লেখা হলেও বাংলায় প্রকাশ করা উচিৎ। উচ্চ আদালতের রায় লেখা হয় ইংরেজিতে। ফলে রায় বোঝার জন্য নির্ভর করতে হয় আইনজীবীর উপর। নিজে পড়ে তো আর বুঝে নিতে পারে না। তাই অনেকে হয়রানির শিকার হয়।

২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউটে শহীদ দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

তিনি যোগ করেন, সেজন্য উচ্চ আদালতের রায় প্রকাশ করা উচিত বাংলায়। ইংরেজিতে লেখা হলেও সেটা রোমান ইংরেজিতে না লিখে সহজ ইংরেজিতে লেখা যায়। যেন সহজে সবাই বুঝতে পারে। তারপর সেটা বাংলায় অনুবাদ করা যায়। তাহলে আমাদের মতো অল্পশিক্ষিতদের সুবিধা হবে রায় বুঝতে। এসময় তিনি বিশ্বের সব মাতৃভাষা রক্ষার আহ্বান।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউটের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন: আমরা ভেবেছিলাম বাংলাদেশে একটা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবো, যেন সারা বিশ্বের ভাষা সংরক্ষণ করতে পারি, গবেষণা করতে পারি, জানতে পারি। তখনই এই ইন্সটিটিউট করার পরিকল্পনা হয়। আমার আমন্ত্রণে তখন জাতিসংঘ মহাসচিব কফি আনান বাংলাদেশে আসেন। এই ইন্সটিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। তবে সরকার পরিবর্তনের পরই সেটা বন্ধ। দীর্ঘ সাত বছর পর আমরা আবার সরকার গঠন করলাম। এবং এই ইন্সটিটিউটের কাজ শুরু করি। পরে সেটা আমরা আইনও তৈরি করে দেই। যেন এটা সবসময় কাজ করতে পারে। তখনই আমরা এখানে ভবন ও ভাষা ইন্সটিটিউট গড়ে তুলি। কেউ গবেষণা করতে চাইলেও সেই সুযোগটা আমরা রেখেছি।

অন্যান্যদের মাতৃভাষার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষাও আমরা সংরক্ষণ করছি। তাদের কোনো বর্ণমালা নেই। তারপরও তারা যেন ভুলে না যায়, সেজন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। ভাষাগতভাবে যোগাযোগ এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্ব এখন গ্লোবাল ভিলেজ। তাই দ্বিতীয় কোনো ভাষা শিখতে হবে। ইংরেজি এখন বিশ্বে যোগাযোগের অন্যতম ভাষা। তবে যে ভাষার জন্য জীবন দিয়েছি, সেটাও চর্চা করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ