• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

জয়পুরহাটে গভীর নলকূপের পাইপ কর্তনে সেচ সংকটে চাষীরা

জয়পুরহাট, ২৪ মার্চ।। সেচ লাইসেন্স ইস্যুতে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার হারুঞ্জা গ্রামে পল্লী উন্নয়ন একডেমীর (আরডিএ) ‘সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রায়োগিক গবেষণা প্রকল্পে’র আওতায় সরকারের সর্বোচ্চ ফোরাম একনেকে অনুমোদিত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে স্থাপিত একটি গভীর নলকূপের ভূ-গর্ভস্থ পাইপ লাইন কেটে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। ফলে সেচ অভাবে শতাধিক বিঘা জমির ফসল (ইরি-বোরো) হানির আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কৃষকরা। ভূক্তভোগীরা দ্রুত এ সমস্যার সমাধান দাবি করেছেন। আরডিএ স্থাপিত গভীর নলকূপের স্কীমভূক্ত কৃষক বেলাল হোসেন, মিষ্টি মাহবুবা, রুহুল আমিন জানান, এ স্কীমে তারা প্রত্যেকেই ২ থেকে সাড়ে চার বিঘা জমিতে ইরি-বোরো ধান চাষ করেছেন; সেচ অভাবে তাদের জমিগুলো ফেটে চির ধরেছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে সেচ দেয়া না গেলে ঘরে ফসল উঠবেনা। কৃষক আমির হোসেন, বিমল ও বজলুর দাবি, এ পর্যন্ত সব মিলে বিঘা প্রতি তাদের খরচ হয়েছে কম পক্ষে ৩ হাজার টাকা। তাই সেচ অভাবে তারা ফসল হানির সাথে সাথে অর্থ হানির শিকারও হবেন। প্রকল্পের সভাপতি মহসীন আলী মাসুদ জানান, হতদরিদ্র ও সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠির আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ কল্যাণমুখী নানা কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সেচ নীতিমালার আলোকে উপজেলার হারুঞ্জা গ্রামে পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর (আরডিএ) অর্থায়নে ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০১৪ সালে খাবার পানি ও সেচ মেগা প্রকল্পের (আই.ডাব্লিউ.এম) আওতায় ভূগর্ভস্থ পাইপ লাইন সমৃদ্ধ একটি গনকূ স্থাপন করা হয়। প্রকল্পটি চালু হওয়ায় উঁচু-নীচু অন্তত একশ’ বিঘা জমি সেচ সুবিধার আওতায় আসে। এর ভূগর্ভস্থ পাইপ লাইনের মাধ্যমে অন্তত ১১০ পরিবার পাচ্ছে সরবরাহকৃত আর্সেনিকমুক্ত বিশুদ্ধ খাবার পানি। আর আত্মনির্ভরশীল হওয়ার লক্ষ্যে প্রকল্পের প্রশিক্ষিত ১৪০ কৃষকরা স্বল্প সুদে পেয়েছেন ১৬ লাখ টাকার ঋণ সহায়তা। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে সেচ লাইসেন্স প্রদান করলেও অজ্ঞাত কারণে তার নাম রেজিস্টারে না তোলায় পুনরায় লাইসেন্সের জন্য আবেদনও করেছেন। এ ইস্যুতে গত ৪ মার্চ স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন আরডিএ’র অর্থায়নে স্থাপিত এ গভীর নলকূপের (গনকূ) ভূ-গর্ভস্থ পাইপ লাইন কেটে দেয়ায় ইরি-বোরো ধানের অনেক জমি ফেটে চৌচির হয়েছে বলেও জানান প্রকল্প সভাপতি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহা. যোবায়ের হোসন জানান, এ সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ