• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

নাগেশ্বরীর হাসনাবাদের হেলাল হোসেনের গল্প

অনিরুদ্ধ রেজা, কুড়িগ্রাম।। কিশোর বয়স থেকেই সমাজে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেয়ার ইচ্ছা জাগে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়নের হেলাল হোসেনের। দারিদ্রের কারণে কোনো শিশু যাতে শিক্ষাবঞ্চিত না হয় সেজন্য হাল ধরেন তিনি। অনার্স শেষ করে ২০১৪ সালে ২০ শিক্ষার্থী নিয়ে গড়ে তোলেন হাসনাবাদ শিশু শিক্ষাকেন্দ্র। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী সংখ্যা এখন ১২০ জন ।
তৃতীয় শ্রেণীর বিথি খাতুন। স্কুলে পাঠানোর সামর্থ্য ছিলো না দরিদ্র বাবা-মার। তবে আশার আলো হয়ে হাজির হয়েছে হাসনাবাদ শিশু শিক্ষাকেন্দ্র। বিনা বেতনেই সে এখন পড়ালেখার সুযোগ পাচ্ছে।
বিথির মতো আরও ১২০ জন শিক্ষার্থী পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বিনা বেতনে লেখাপড়া করছে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার হাসনবাদ ইউনিয়নের এই স্কুলে। শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে এই উদ্যোগ নিয়েছেন হেলাল হোসেন। নিজের টিউশনির টাকায় চালাচ্ছেন স্কুল।
তবে শুধু শিশুদের পড়ালেখাই নয়, বয়স্ক শিক্ষা, নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণ, মাদক ও যৌতুকের বিরুদ্ধে সচতেনতা তৈরিতেও কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। যদিও বসার পর্যাপ্ত বেঞ্চ ও শিক্ষার্থীদের বই-খাতা-পোশাকসহ নানা সংকটও রয়েছে।
শিক্ষার আলো ছড়িতে দিতে হেলাল হোসেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে যে কাজ করছেন তাকে সাধুবাদ দিয়েছেন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর উপজেলার সাধারণ মানুষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ