• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

কালীগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই ইট ভাটা

কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি।। লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার শ্রীখাতা দামুদ্দার গ্রামে ইটভাটা তৈরিতে নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন,নেই জেলা প্রশাসনের অনুমোদন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকার পরেও থেমে থাকেনি নতুন আরও একটি ইটভাটার কার্যক্রম। কোন প্রকার অনুমোদন ছাড়াই নতুন একটি ইটভাটা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার শ্রীখাতা দামুদ্দারে ফসলি জমি ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার সাথে এই নতুন ইটভাটাটি তাদের কার্যক্রম শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে ভাটায় ইটও বিক্রি শুরু করেছেন। কৃষকরা ভাটাটি নির্মাণে কৃষকরা একাধিকবার আপত্তি জানালেও মালিক পক্ষের ক্ষমতার দাপটে অসহায় হয়ে পড়েছে কৃষকরা।

সরকারী নিয়ম অনুযায়ী,ইটভাটার কার্যক্রম শুরুর প্রথমেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের সাথে জেলা প্রশাসন থেকেও ছাড়পত্র নিতে হয়। কিন্তু এ ইটভাটার মুল উদ্যেক্তা রাসেল আহমেদসহ আরো ৪জন এধরনের কোন ছাড়পত্র ছাড়াই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। ভাটা নির্মানে ইতিমধ্যেই পরিবেশ অধিদপ্তরকে বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে মালিকপক্ষরা মাটি ক্রয়সহ নানা কর্মকান্ড শুরু করেছে। এদিকে ফসলি জমির পাশে ইটভাটা তৈরি হওয়ায় ক্ষতির সম্মুখীন হবেন সেখানকার কৃষকরা।

ওই নতুন ভাটার উদ্যেক্তা রাসেল আহমেদ এর সাথে মোবাইল ফোনে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র আছে কিনা? জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা ছাড়পত্রের জন্য দরখাস্ত দিয়েছি এখন পর্যন্ত পাইনি,তবে ছাড়পত্র না পাওয়া পর্যন্ত ভাটার কার্যক্রম চালাব না বলে ও জানান তিনি। কৃষকদের অভাবের সুযোগে জমির মাটি কিনে নিয়ে উচু করে রেখেছে ।এতে কৃষি জমি গুলোর উবর্রতা শক্তি নষ্ট হচ্ছে। মাটির উপরিভাগের ১০-১৫ ইঞ্চির মধ্যে উর্বরতা শক্তি থাকে। তাই এসব মাটি খুঁড়ে বিক্রি করার ফলে তা পুনরায় ফিরে আসতে ১০-১৫ বছর সময় লাগে। আর বারবার তা খোঁড়া হলে এসব জমি ফসল উৎপাদনে স্থায়ী ভাবে একেবারে অক্ষম হয়ে পড়ে। যে কারণে কৃষক কাঙ্খিত ফসল পাচ্ছেন না। জমির মালিকদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে মাটি কেটে নিচ্ছে ইটভাটার মালিকরা। কৃষি বিভাগের অবহেলা ও কৃষকদের অসচেতনতার কারণে এভাবে আবাদি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় নেওয়া হলেও এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের নেই কোন নজরদারি। এছাড়াও ওই নতুন ইটভাটার মালিক শাখাতী থেকে ট্রাক্টরে মাটি পরিবহন করার কারণে স্থানীয় রাস্তা নষ্ট হয়েছে। যা বর্ষায় ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলের অনুপযোগী।
এ বিষয় ৪ নং দলগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান খ.ম শফিকুল আলম বলেন, আমার পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে শুরু করেছে।পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র আছে কিনা? সেটা আমার জানা নেই।
এ ব্যাপারে কথা হলে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক শফিউল আরিফ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই তবে খোজ নিয়ে দেখে অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ নিব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ