সিসি ডেস্ক, ২ মে ।। ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ মোকাবেলায় বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান। বুধবার সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুতি সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ ভারতের উপকূলে আঘাত হানার পর কিছুটা দুর্বল হয়ে ৪ মে বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে। ঝড় মোকাবেলায় বাংলাদেশে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দেশের উপকূলীয় ১৯টি জেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। জেলার প্রতিটিতে ২০০ টন চাল, নগদ ৫ লাখ টাকা ও ২ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ১ মে থেকে অব্যাহতভাবে অফিসে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, ঘূর্ণিঝড়টি এ মুহূর্তে ভারতের উড়িষ্যার দিকে রয়েছে। বুধবার থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে দুই নম্বর দূরবর্তী হুশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে চার নম্বর স্থানীয় হুশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে বিচরণ না করতে পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ভারতের আবহাওয়া অফিস বলছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার। এটি দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ায় ২১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।