• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

২০৩০ সালের মধ্যে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ

সিসি ডেস্ক, ১৪ মে।। ২০৩০ সালের মধ্যে মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ। এ সময় বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে পাঁচ হাজার ৭০০ ডলার। আর ভারতের মাথাপিছু আয় হবে পাঁচ হাজার ৪০০ ডলার।

বহুজাতিক স্টান্ডার্ড চার্টার্ড (স্ট্যানচার্ট) ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। স্ট্যানচার্টের প্রধান অর্থনীতিবিদ ডেভিড ম্যান ও ব্যাংকের ভারতীয় গবেষণা শাখার প্রধান মধুর ঝা এ গবেষণা পরিচালনা করেছেন।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০২০ সাল হবে এশিয়ানদের যুগ। পুরো দশক ধরে এশিয়ার দেশগুলোর প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ বজায় থাকবে। বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত, ভিয়েতনাম, মিয়ানমার ও ফিলিপাইনে প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকবে।

২০৩০ সালে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটবে। তখন পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার এক পঞ্চমাংশই হবে এশিয়ার। এর সুফল ভোগ করবে দেশগুলো। ভারতের বিশাল জনসংখ্যা দেশটির জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনবে। আর বাংলাদেশ স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে এত দিন যে বিনিয়োগ করেছে, তার সুফল পাওয়া শুরু করবে। এতে বাংলাদেশের উৎপাদনশীলতা বাড়বে।

গবেষণায় বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশের মাথা পিছু আয় এক হাজার ৬০০ ডলার। ২০৩০ সালে এটি বেড়ে দাঁড়াবে পাঁচ হাজার ৭০০ ডলারে। অন্যদিকে বর্তমানে ভারতের মাথাপিছু আয় হচ্ছে এক হাজার ৯০০ ডলার। ২০৩০ সালে তা পাঁচ হাজার ৪০০ ডলারে উন্নীত হবে। অর্থাৎ মাথাপিছু আয়ে ভারত থেকে ৩০০ ডলার এগিয়ে থাকবে বাংলাদেশ।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০১০ সাল থেকে এশিয়ার দেশগুলোয় পরিবর্তন ঘটতে শুরু করে। আর তখন থেকেই ব্যাংকটি এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দিকে নজর রাখা শুরু করে।

গবেষক ডেভিড ম্যান ও মধুর ঝা বলেন, দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কারণে দেশগুলোতে আয় বৈষম্য, অপরাধ ও দূষণ রোধে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে। দ্রুত প্রবৃদ্ধি লোকজনকে চরম দারিদ্র্য থেকে বের করে আনার পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও শিক্ষাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। এর আরেকটি উপকারী দিক হলো, আয় বেড়ে যাওয়ার কারণে এসব দেশে সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা কমে আসে। এতে নানা ধরনের সংস্কারকাজও সহজে বাস্তবায়ন করা যায়।

কালেরকন্ঠ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ