সিসি ডেস্ক, ৭ জুলাই ।। দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন আশার সঞ্চার করছে পাট পাতার অর্গানিক চা। এরই মধ্যে রপ্তানি হচ্ছে জার্মানিতে। উদ্যোক্তারা বলছেন, চাহিদা ভালো থাকায় ইউরোপের অনেক দেশে বিক্রি বাড়বে পাট এর চায়ের। দ্রুত দেশের বাজারেও ছাড়ার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন- বিজেএমসি।
দেশে পাট শাক জনপ্রিয় হলেও এবার সেই পাতায় তৈরি হচ্ছে চা। পাট পাতা থেকে চা তৈরির জন্য মানিকগঞ্জের লেমুবাড়ি এলাকায় প্রক্রিয়াজাতকরণ সেন্টার চালু করেছে সরকার। চলতি মাসেই এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে।
নির্দিষ্ট জমিতে প্রাকৃতিকভাবে চাষ হয় পাটের। সেই পাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তৈরি হয় চা। দেশের বাজারে না মিললেও রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপের বাজারে। জার্মানির স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ইন্টারট্রোপ বিজেএমসির মাধ্যমে তা আমদানি করছে। সঠিক পরিকল্পনা নেয়া হলে এ চায়ের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।
ভেজষ গুণ থাকায় পাট চায়ের রয়েছে নানা উপকার। রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি দ্রুত দেশের বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা করছে বিজেএমসি। ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে পাট চায়ের জিআই সনদের জন্য আবেদনের কথাও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। গত বছর জার্মানিতে পাটের চা রপ্তানি হয়েছে আড়াই টন। উৎপাদন বাড়াতে পারলে দেশের অর্থনীতিতে অবদানের পাশাপাশি পাটের সোনালী ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।