সিসি ডেস্ক, ৯ জুলাই ।। রংপুর জেলা সমবায় কর্মকর্তা তহিদুজ্জামান খন্দকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে সরকারি জমি লিজ দেয়ার নামে কোটি টাকার বেশি ঘুষ নেয়ার। টাকা লেনদেনের ভিভিও ফুটেজ পাওয়ার পর অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছেন বিভাগীয় সমবায় কর্মকর্তা।
নগরীর ঘোড়াপীর মাজার এলাকায় জেলা সমবায় সমিতির জমির পরিমান ৪ একর ১১ শতক। এসব জমি বাস্তুহারাদের মাঝে বিভিন্ন মেয়াদে লিজ দেয়া হয়। প্রতিবছর নবায়ন করতে হয় নিবন্ধন। তবে, জেলা সমবায় কর্মকর্তা তহিদুজ্জামান খন্দকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, জমি নিবন্ধনের নামে ব্যক্তিভেদে ২ থেকে ১০ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার। যারা দিতে রাজী হননি, ভাঙচুর চালানো হয় তাদের বাড়িঘরে।
এক বাসিন্দা বলেন, গরীব মানুষ তাও ৬০ হাজার টাকা দিয়েছি এবং রাতে তার গুণ্ডারা বাড়িতে হামলা চালায়।
রংপুর সমবায় সমিতির সভাপতি আওরঙ্গজেব লাবলু বলেন, ১০ লাখ চেয়েছিল এবং ২লাখ দিয়েছিলাম সেটা ফেরত পাইনি।
সদরের পাশাপাশি বাকী উপজেলার ২৮শ’র বেশি সদস্যকের কাছ থেকে টাকা নেয়ার অভিযোগ জেলা সমবায় কর্মকর্তা তহিদুজ্জামান খন্দকারের বিরুদ্ধে। টাকা লেনদেনের একটি ফুটেজ থাকলেও অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। পরে ছুটি নিয়ে গা ঢাকা দেন।
বিষয়টি জানাজানি হলে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে রংপুর থেকে গাইবান্ধায় বদলি করা হয়। চলছে অভিযোগের তদন্ত।
রংপুরের বিভাগীয় সমবায় কর্মকর্তা যুগ্ম-নিবন্ধক আমির আজম বলেন, ঘুষ দেয়ার ভিডিও দেখেছি, চিঠি দিয়েছি মন্ত্রণালয়ে।
অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ আদায় ও ঘরবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে উচ্চ আদালতেও মামলা করেন ভুক্তভোগীরা।
উৎস: ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন