• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

‘প্যাটেল, শ্যামাপ্রসাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করেছি’- মোদি

সিসি ডেস্ক, ৮ আগষ্ট ।। ‘৩৭০ ধারা, ৩৫ এ ধারা জম্মু-কাশ্মীরকে বন্দি করে রেখেছিল আতঙ্ক, সন্ত্রাসের অন্ধকূপে৷ তা বিলুপ্ত করে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে দীর্ঘ বঞ্চনা থেকে মুক্ত করেছি। সর্দার প্যাটেল, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, অটলজি এবং দেশবাসীর স্বপ্ন পূরণ করেছি। নতুন যুগের সূচনা হয়েছে৷ এখন দেশের সব নাগরিকের অধিকার, দায়িত্ব সমান।’ ৩৭০ ধারা বিলুপ্তির পর প্রথম জাতির উদ্দেশে ভাষণে অখণ্ডতার বার্তা দিতে গিয়ে এমনই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, ঠিক রাত আটটায় বেতারে ভাষণ শুরু করেন  মোদি। জল্পনা ছিল, কী নিয়ে বলবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। আন্দাজ সত্যি করে জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে কেন্দ্রের ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েই বক্তব্য রাখলেন তিনি। সেখানকার দীর্ঘদিনের পরিবেশ পালটে দেওয়ার জন্য সমগ্র দেশবাসীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন, ‘কিছু বিষয় মনে স্থায়ী ছাপ রেখে যায়। ৩৭০ ধারার জন্য জম্মু-কাশ্মীরের বাচ্চারা কত অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। তা নিয়ে কেউ কোনও আলোচনাই করেনি। মনে হত, এটা পালটানো দরকার৷ সকলের সহযোগিতায় তা করতে পেরেছি। জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ আমাদের ভাইবোন। এবার থেকে তাঁরা সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।’

দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কোনও আইনশৃঙ্খলা না থাকায় কাশ্মীরিদের ইচ্ছেমতো সন্ত্রাসের কাজে ব্যবহার করত পাকিস্তান। এবার থেকে তা আটকানো যাবে। খুব ভাবনাচিন্তা করে জম্মু-কাশ্মীরকে সরাসরি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার  সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ নতুন গঠিত কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ, শিক্ষার সুযোগ বাড়বে বলে প্রতিশ্রুতি দেন মোদি। পাশাপাশি কাশ্মীর উপত্যকায় পর্যটনের উন্নতিতে আরও জোর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষত লাদাখে বাণিজ্যিকভাবে ধর্মীয় পর্যটনস্থল গড়ে তোলা হবে।

এদিনের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এও ভালভাবে বুঝিয়ে দিলেন,  কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখের প্রশাসনিক বিন্যাস কেমন হবে। জম্মু-কাশ্মীরে আলাদা বিধানসভা এবং দমন-দিউর মতো লাদাখে সরাসরি দিল্লির নিয়ন্ত্রণ থাকবে, তা স্পষ্ট করে দিলেন মোদি। জাতির উদ্দেশে এদিনের ভাষণে বিরোধীদেরও ছাড়লেন না প্রধানমন্ত্রী। বললেন, ‘আপনাদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, দেশের স্বার্থে সবটা বিবেচনা করুন। নিছক বিরোধিতার জন্য জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে রাজনীতি করবেন না।’ এরপর তিনি সকলকে ইদের শুভেচ্ছা জানিয়ে স্পষ্ট বলেন, ‘কাশ্মীর উপত্যকায় ইদ পালনে আর কোনও বাধা থাকবে না, আতঙ্ক থাকবে না। নিশ্চিন্তে নিজেদের ঘরে ইদ পালন করুন। সরকার নিরাপত্তার সমস্ত ব্যবস্থা করবে।’

উৎস: সংবাদ প্রতিদিন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ