সিসি নিউজ, ৩০ সেপ্টেম্বর।। নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের বাইপাস সড়ক থেকে উদ্ধারকৃত যুবকের পরিচয় মিলেছে। ঘটনার দু্জই দিন পর আজ সোমবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছবি দেখে নিজ পুত্র ফারাজুল ইসলামের লাশ সনাক্ত করেছে বাবা সহিদার রহমান। তার বাড়ি রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার গোপীনাথপুরের খিয়ারপাড়ায়। ফারাজুল পেশায় ভ্যানচালক ছিল।
স্বজনদের দেয়া বক্তব্য অনুযায়ী সৈয়দপুর থানা পুলিশ সিসি নিউজকে জানায়, ঘটনার দিন বিকেলে ভ্যান নিয়ে ফারাজুল বাড়ি থেকে বের হয়। তারপর আর বাড়ি ফিরে আসে নাই। অনেক খোঁজাখুজির পর গ্রামের লোকজনের মুখে জানতে পারি, সৈয়দপুরে এক অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার হয়েছে। ফেসবুকের মাধ্যমে লাশের ছবি দেখে আমি চিনতে পারি এটাই আমার ছেলের ফারাজুল।
সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহজাহান পাশা জানান, লাশের পরিচয় মিলেছে এবং মর্গে গিয়ে স্বজনরা ফারাজুলের লাশ সনাক্ত করেছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সিসি নিউজকে জানান, লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কথা হয় নীলফামারী পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেনের সাথে। তিনি জানান, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাছাড়া ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ইতিমধ্যে মাঠে পুলিশ কাজ করছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাইপাস সড়কে রাতের বেলায় পুলিশী টহল বাড়ানো হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১টার দিকে সৈয়দপুর শহরের বাইপাস মহাসড়কের বসুনিয়া মোড়ের দক্ষিনে অজ্ঞাত হিসেবে ভ্যানচালক ফারাজুলের লাশ উদ্ধার করে সৈয়দপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনার তিন দিন পূর্বে ওই মোড়ের উত্তরে রাত ৮টার দিকে এক ইপিজেড শ্রমিককে মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে সৈয়দপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল। পরে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে নেয়ার পর সে মারা যায়। আর দুটি ঘটনা নিয়ে জনমনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। আসলে কি সড়ক দূর্ঘটনা নাকি হত্যাকান্ড?