সিসি নিউজ, ১৯ ডিসেম্বর।। সারাদেশে জেঁকে বসেছে শীত। কনকনে হিম বয়ে আনা বাতাসে উঠছে হাড় কাঁপুনি। নীলফামারীতে আজ বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। হঠাৎ করে ঠাণ্ডার এ আক্রমণে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছেন নানা রোগে। হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগির সংখ্যা বেড়েছে।
ঘন কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা কম থাকায় সৈয়দপুর বিমানবন্দরে সকালের বিমান চলাচল করছে না। সিডিউল বিপর্যয় হয়ে দুই থেকে চার ঘন্টা বিলম্বে চলাচল করছে ট্রেনগুলো। এতে ট্রেনের যাত্রীরা শীতের ভোগান্তিতে পড়ছে। ছিন্নমূল মানুষরা খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারন করছে।
আবহাওয়া অফিস বলছে,, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসছে বাতাস, যেটাকে আমরা ‘উত্তরা বাতাস’ বলে থাকি। নীলফামারীতে বর্তমানে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১১ থেকে ১২ কিলোমিটার। এই বাতাস কনকনে হিম বয়ে এনে হাড় কাঁপুনির সৃষ্টি করেছে। এই বাতাস না থাকলে দিনের তাপমাত্রা এতো কমতো না। আর এতো ঠাণ্ডাও অনুভূত হতো না।
আবহাওয়া অফিস মতে, দু’দিন থেকে সূর্যের দেখা মিলছে না বললেই চলে। এমন অবস্থা দু’দিন থাকার পর সূর্যকিরণ আবার আগের মতো পাওয়া যাবে। স্থান ভেদে ২১ ও ২২ ডিসেম্বরের দিকে ঠাণ্ডা অনুভূতি কমে আসবে। এরপর আসতে পারে নিম্নচাপ। এক্ষেত্রে ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ মাঝারী (৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা) ধরণের শৈত্যপ্রবাহের মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে দেশবাসীকে।