• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ঢাকার বাইরেও হচ্ছে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা: আইইডিসিআর

সিসি ডেস্ক, ১৮ মার্চ ।। সরকারের রোগ তত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানিয়েছেন, দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় ঢাকার বাইরে কয়েকটি স্থানে নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এক সপ্তাহের মধ্যে কয়েকটি গবেষণাগারে এ পরীক্ষা শুরু হবে বলে জানান তিনি।

কভিড-১৯ রোগী শনাক্তে বর্তমানে শুধু ঢাকায় আইইডিসিআরে অসুস্থ ব্যক্তিদের নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। ঢাকার বাইরে কারো পরীক্ষার প্রয়োজন হলে নমুনা পাঠানো হচ্ছে আইইডিসিআরে।

বুধবার সংবাদ সম্মেলেন আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, রোগটি পরীক্ষার জন্য তারা বিকল্প ব্যবস্থা করছেন।

তিনি বলেন, আমাদের রোগীর সংখ্যা এখন আস্তে আস্তে বাড়ছে। অ্যাপোডেমিক্যালি এটা প্রত্যাশিত যে কিছু রোগী বাড়বে। সেই দিক থেকে এই রোগের পরীক্ষাটি আমরা আইইডিসিআরে আর কতদিন রাখব এবং ব্যাকআপ হিসেবে কোন কোন ল্যাবে যাবে, সেটা ঠিক করা ছিল। এরপরও আমরা পরিকল্পনাটি আরও আপডেট করছি। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কিছু কিছু ল্যাবে আমরা পরীক্ষার ব্যবস্থা করব।

কিন্তু নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থাটা আইইডিসিআরের সার্বিক তত্ত্বাবধানেই হবে বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক ফ্লোরা।

কোনো কেইস যদি ডিটেক্ট হয়, তার কন্টাক্ট ট্রেসিং করা, তার সম্পর্কে তথ্য জানা এবং এই কন্টাক্টকে ট্র্যাকিং করা এটা কেবল আইইডিসিআরের দায়িত্ব। আইইডিসিআরের এজন্য প্রশিক্ষিত লোকবল আছে।

চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে নভেল করোনাভাইরাস এরই মধ্যে বৈশ্বিক মহামারীতে রূপ নিয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়ে যাওয়ার সঙ্গে মৃতের সংখ্যাও ছাড়িয়েছে ৭ হাজার। বাংলাদেশে ১৪ জন কভিড-১৯ রোগী ধরা পড়েছে, এর মধ্যে একজন বুধবারই মারা গেছেন।

বিদেশ থেকে আসা বাংলাদেশিদের মাধ্যমে বাংলাদেশে এই রোগের সংক্রমণ ঘটেছে। এই প্রবাসীরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে গেছে, যাদের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

নভেল করোনাভাইরাস আক্রান্ত হলে সাধারণত জ্বর আসে, এরপর দেখা দেয় মাথাব্যথা ও কাশি। পরে তা শ্বাসযন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। করোনাভাইরাসের কোনো ভ্যাকসিন এখনও তৈরি হয়নি। ফলে আপাতত সচেতন থাকা ছাড়া এ রোগ থেকে নিরাপদ থাকার আর কোনো পথ নেই।

এই রোগ যেহেতু ছোঁয়াচে, সেহেতু নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার পাশাপাশি ও কাশি শিষ্টাচার (নাক-মুখ আড়াল করে) মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে আইইডিসিআর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ