• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০১ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

এশিয়ার বৃহত্তম বস্তিতে করোনায় একজনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ২ এপ্রিল।। আশঙ্কা যেনো এবার বাস্তবে পরিণত হতে চলেছে। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস এবার মুম্বাইয়ের ধারাভি বস্তিতে হানা দিয়েছে। ৬১৩ একর জমির ওপর ছড়িয়ে থাকা এশিয়ার বৃহত্তম এই বস্তিতে ইতোমধ্যে মারাও গেছেন একজন।

তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই বস্তির আটটি বাড়ি লকডাউন করে দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানায়, ৫৬ বছর বয়সী ওই রোগীর করোনাভাইরাস পজিটিভ ছিল। চিকিৎসকদের মতে, তার জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণ ছিল।

মারা যাওয়া ব্যক্তিকে মঙ্গলবার প্রথমে সিওন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কস্তুরবা গান্ধী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু হাসপাতালে নেয়ার আগেই মৃত্যু হয় তার।

ধারাভি বস্তির বাসিন্দা ওই প্রৌঢ়ের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে গোটা মুম্বাইয়ে। এমনিতেই ভারতে করোনা সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। এদিনের ঘটনায় শহরে সংক্রমণের তীব্রতা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

সংবাদমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৪৩৭ জন। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এটাই একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড। এদিন সেখানে মারা গেছেন অন্তত ছয়জন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১।

ভারতীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশটিতে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৮৩৪। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১৪৩ জন।

অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এ এলাকায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এককথায় অসম্ভব। সেখানে করোনার বিস্তার ঠেকানো না গেলে কী ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে তা বলাই বাহুল্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ