• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

মাস্ক না পরায় বাবার হাতে ছেলে খুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ১৯ এপ্রিল ।। লকডাউনের ফলে নিস্তব্ধ পশ্চিবঙ্গের রাজধানী কলকাতা। রাস্তায় লোক চলাচল নেই বললেই চলে। এ অবস্থায় শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় শ্যামপুকুর থানায় এসে এক বৃদ্ধ পুলিশ জানান, মাস্ক না পরায় তিনি নিজের ছেলেকে খুন করেছেন। তার কথা শুনে পুলিশ অফিসার থ। পরে সব শুনে বংশীধর নামের ওই বৃদ্ধের বাড়িতে গিয়ে উদ্ধার করা হয় ছেলের মরদেহ। নিহতের নাম শীর্ষেন্দু, বয়স ৪৫ বছর।

শোভাবাজার লেনের বাসিন্দা ৭৮ বছরের বংশীধর প্রতিদিন বিকেলে তিনি ছেলে শীর্ষেন্দুকে নিয়ে বেড়াতে বের হন। ছেলে শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং মৃগী রোগী। শনিবার বিকেলে বেড়াতে বেরোনোর সময় তিনি ছেলেকে মাস্ক পরতে বলেন। কিন্তু ছেলে কিছুতেই তা পরতে রাজি হননি। বার বার বলার পরেও ছেলে কথা না শোনায় তার রাগ উঠে যায়। তখন তিনি ছেলের গলায় কাপড় পেঁচিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে খুন করেন।

শ্যামপুকুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, ঘরের মাটিতে পড়ে রয়েছে শীর্ষেন্দুর দেহ। আর বিছানায় শুয়ে রয়েছেন শীর্ষেন্দুর মা।

সেরিব্রাল অ্যাটাকের পর পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে বছর ১৮ ধরে বিছানায় শয্যাশায়ী বংশীধরের স্ত্রী ও শীর্ষেন্দুর মা। বংশীধর মায়ের সামনেই ছেলেকে খুন করেন।

পুলিশ শীর্ষেন্দুর মরদেহ উদ্ধার করার পর ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

গত ১৮ বছর ধরে অসুস্থ স্ত্রী এবং অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে থাকতে থাকতে জীবনের ওপর তিতিবিরক্ত হয়ে পড়েছিলেন বংশীধরবাবু। সেই তিক্ততা থেকেই তিনি এই খুনের ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে দাবি করেচেন। তবে তদন্তকারীরা তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আসল ঘটনা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছে।

পুলিশের ধারণা, অসুস্থ স্ত্রী আর ছেলেকে নিয়ে দীর্ঘদিন থাকার পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতিতে তার উদ্বেগ আরও বেড়ে গিয়েছিল। ছেলে মাস্ক না পরে বাইরে বেরোলে যদি সংক্রমণ হয়, সেই চিন্তাও বংশীধরকে গ্রাস করেছিল। যার জেরে এই হত্যাকাণ্ড।

সূত্র: আনন্দবাজার


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ