সিসি নিউজ, ২৯ এপ্রিল ।। নীলফামারীতে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন থেকে ২৮ ভাটা শ্রমিকের হদিশ মিলছে না। এ ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে প্রায় ১০টি গ্রামে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার ১১নং সোনারায় ইউনিয়নের সোনারায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে।
সূত্র জানায়, সৈয়দপুর থানা পুলিশ সৈয়দপুর-পার্বতীপুর সড়কের চৌমুহনী বাজারের অস্থায়ী পুলিশ চেকপোষ্ট থেকে গতকাল মঙ্গলবার সকালে ৪৪জন ভাটা শ্রমিককে আটক করে। তারা ট্রাকে ত্রিপল দিয়ে বিশেষ কায়দায় গাজীপুর থেকে পালিয়ে আসতেছিল। পরে পুলিশ প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ বিকেল ৪টার দিকে আটক ভাটা শ্রমিকদের তাদের নিজ গ্রাম নীলফামারী সদরের সোনারায় ইউনিয়নের সোনারায় ও চকদুবলিয়া গ্রামের দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৪দিন কোয়ারেন্টাইনে রাখেন। কিন্তু সন্ধ্যার পরপরই স্থানীয়রা দেখতে পান কোয়ারেন্টাইন না মেনে ওইসব শ্রমিক বাড়িতে ঘোরাফেরা করছেন। তাৎক্ষনিক বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও থানাকে অবহিত করে। মুহূর্তে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত খোঁজ নিয়ে জানা গেছে পালিয়ে যাওয়া শ্রমিকরা প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে ফিরে নাই। যদি ফিরিয়ে আসে ওইসব শ্রমিক, তাহলে পরিবারের সাথে রাত্রী যাপনের কারনে তাদের পরিবার লকডাইন করার দাবি এখন গ্রামবাসীর।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সোনারায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল জানান, কোয়ারেন্টাইনে থাকা শ্রমিকদের দেখভালের জন্য সংশ্লিষ্ট ওয়াডের সদস্য ও গ্রাম পুলিশ নিয়োজিত ছিল। কোয়ারেন্টাইনে থাকা শ্রমিকদের রাতের খাবারের ব্যবস্থা করার সময় ওই এলাকা থেকে জনৈক ব্যক্তি ফোন করে তাদের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি জানান।
নীলফামারী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মমিনুল ইসলাম কোয়ারেন্টাইনে থাকা শ্রমিকদের পালিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে বলেন, ওই ওয়াডের মেম্বার কয়েকজন শ্রমিককে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে- পালিয়ে যাওয়া নয়। তবে এ ঘটনাটি নিরসনে দ্রুত ব্যভস্থা নেয়া হচ্ছে।