এই ইঞ্জিনের ভেতর ফাকা স্থানে এক শালিক পাখি বাসা বেঁধে দুটো বাচ্চা দিয়েছে। পাখির ছানা দুটো এখনো উড়তেই শিখেনি।
দুই ছানা নিয়ে মা শালিক নিরাপদেই বসবাস করছে।
আজ ১৪ মে পঞ্চগড় অভিমুখী পন্যবাহী পার্সেল স্পেশাল ট্রেনের জন্য ৬৫০৭ লোকো ইঞ্জিনটি তৈরী করার সময় ইঞ্জিনটি চালু করা হচ্ছিল। কিন্তু স্ট্যাট নিচ্ছিলনা। মেকানিকরা সমস্যা খুঁজতে গিয়ে দেখে শালিক মা সহ দুই ছানা।
বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানালো হলো।
নির্দেশ এলো পাখির ছানাগুলো বড়ো হয়ে উড়তে শিখা না পর্যন্ত যেন লোকো ইঞ্জিনটি স্ট্যাট দেয়া না হয়। সেই সঙ্গে ৬৫০৭ লোক ইঞ্জিনের পরিবর্তে ৬৫১৫ লোকো ইঞ্জিনকে প্রেরন করতে বলা হয়। এতেই রক্ষা পায় পাখির ছানারা।
অনেকে মন্তব্য করেন সৃস্টি কর্তা পাখির ছানা গুলোকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যই ওই লোকো ইঞ্জিনের স্ট্যাট করতে দেননি। কারন ইঞ্জিনটি স্ট্যাট নিলে পাখির ছানা দুটোর মৃত্যু হতো নির্ঘাত।
একেই বলে
রাখে আল্লাহ্ মারে কে….
(সাংবাদিক তাহমিন হক ববি ভাইয়ের টাইম লাইন থেকে নেয়া)