• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

তিস্তায় ভাসিয়ে দেয়া সেই পোশাক শ্রমিকের করোনা ছিল না

সিসি নিউজ, ২৮ মে ।। করোনা সন্দেহে পোশাক কারখানার শ্রমিক মৌসুমী আক্তারের (২২) মৃতদেহ তিস্তা নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছিল। তবে তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন না বলে নিশ্চিত করেছেন লালমনিরহাটের সিভিল সার্জন নির্মলেন্দু রায়। খবর ইউএনবির

এর আগে মৃতের দেহের নমুনা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়। এতে ফল নেগেটিভ আসে।

মৃত মৌসুমী আক্তার পাটগ্রাম উপজেলার বাউড়া ইউনিয়নের সরকারের হাট এলাকার মিজানুর রহমানের স্ত্রী।

জানা গেছে,  মৌসুমী আক্তার গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। গত ২১ মে অসুস্থ অবস্থায় তিনি ট্রাকে করে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। পথে ওই ট্রাকেই তার মৃত্যু হয়। করোনাভাইরাস সন্দেহে পরদিন তার মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায় ট্রাকচালক।

এরপর রংপুরের তাজহাট থানার পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান তার বাবা। তিনি মেয়ের মরদেহ গ্রামে কবর দিতে চাইলে বাধা দেন স্থানীয় চেয়ারম্যান। পরে লাশবাহী গাড়ির চালককে পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে মৃতদেটি দাফন করতে বলেন সেই বাবা।

কিন্তু ওই গাড়িচালক মরদেহটি দাফন না করে তিস্তা নদীতে ফেলে দেয়।  গত রোববার সেই মরদেহটি উদ্ধার করে আদিতমারী থানার পুলিশ। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান ওই পোশাক শ্রমিকের বাবা। পরে প্রশাসনের নেতৃত্বে  ঈদেরদিন বিকালে মৃতদেহের জানাজা শেষে নিজ গ্রামে দাফন করে পুলিশ।

আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। সরকারি ব্যাগে মোড়ানো মর্গের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ইউডি মামলা করা হয়েছে। ’ তিনি জানান, মৃতের পরিচয় জানার পরে মেয়ের বাবার আকুতি শুনে পুলিশ সুপারের নির্দেশে দুই থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে মৃতদেহ তার গ্রামে দাফন করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ